প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ২২:১৩ পিএম
এক দিনের ম্যাচে জয়ের পর টি-টোয়েন্টিতেও ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডকে ১৩৪ রানে থামিয়ে সফরকারীরা জিতেছে ৫ উইকেটে। দাপুটে জয়ে অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন লিটন দাস ও শেখ মাহেদী হাসান। ম্যাচ শেষে দুই ব্যাটারসহ টাইগার ক্রিকেটারদের প্রশংসা করেছেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও অলরাউন্ডার জিমি নিশাম।
স্যান্টনার বলেছেন, ‘কঠিন দিন গেল। বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দিতে হবে। তাদের বোলাররা যেভাবে বোলিং করেছে তা অসাধারণ। আমার মনে হয় এখানে আমাদের ১৫০-১৬০ রান করার প্রয়োজন ছিল। আমরা বোলিংয়ে ভালো করে ম্যাচটা জমানোর চেষ্টা করেছিলাম। তবে ব্যাটিংয়ে আমাদের পাওয়ার প্লেটা খুবই বাজে গিয়েছে।’
এদিন ৫০ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক স্যান্টনারের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে টেনে নেন জেমস নিশাম। দলের বিপর্যয়ের মধ্যেও ২৯ বলে চার ৪ ও ৩ ছক্কায় ৪৮ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন নিশাম। তার প্রশংসা করেছেন স্যান্টনার, ‘কিছু ইতিবাচক দিক আছে। ব্যাটিংয়ে শেষদিকে ফিরে আসাটা ভালো ছিল। (জেমস) নিশাম দারুণ খেলেছে পরিস্থিতি অনুযায়ী। বোলিংয়েও আমরা ভালো করেছি বলে মনে হয়। সিয়ার্স বেশ ভালো ছিল বল হাতে, টিম (সাউদি) এবং অ্যাডাম (মিলনে) যেমনটা করে আসছে অনেক দিন ধরে।’
এদিন নেপিয়ারে শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ডকে চেপে ধরেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে পরের দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে জেতার প্রত্যয়ের কথা বলেছেন কিউই অধিনায়ক, ‘বাংলাদেশ দুর্দান্ত বোলিং করেছে। হার্ড লেংথে করেছে। ক্রস ব্যাটে খেলা কঠিন ছিল। আশা করি মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ভিন্ন উইকেটে আমরা ভালো কিছু করতে পারব।’
স্যান্টারের মতো নিশামও সফরকারীদের প্রশংসা করেছেন, ‘বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দিতেই হবে। তারা ম্যাচের শুরু থেকেই খুবই আবেগি ছিল। কিছু মোমেন্টামও পেয়েছে। তারা ভালো খেলেছে। জয়টা তাদের প্রাপ্য।’
বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসাই ঝরেছে নিশামের কণ্ঠে, ‘প্রথমত, এখানে কন্ডিশনের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। আপনারা দেখেছেন, বল বেশ ভালো রকম ঘুরেছে। বিশেষ করে আজকের প্রথম ৬ ওভারে এবং ওয়ানডের প্রথম ১০ ওভারে। যেটা সাধারণত নিউজিল্যান্ডে দেখা যায় না। এটা নিয়ে আমাদের কথা বলা দরকার। আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ এমন ভালো মানের কিছু পেসার পেয়েছে, যাদের নিয়ে তারা ভরসা করতে পারে। ওরা যদি এভাবে উন্নতি করতে থাকে, ভবিষ্যতে বিদেশের মাটিতে সাফল্য না পাওয়ার আমি কোনো কারণ দেখি না।’