প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৬:৪২ পিএম
সৌম্য যদি ব্যর্থ হতো, তাহলে কী হতো, সেটা জানেন না হাতুরুসিংহে— সংগৃহীত
সৌম্য সরকারকে চন্ডিকা হাতুরুসিংহের প্রিয় ছাত্র বলা হয়। ঘরোয়া ক্রিকেটে তেমন কিছু করতে না পারলেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরেকবার সৌম্যকে ফিরিয়েছেন কোচ। এবার অবশ্য হতাশ করেননি। তবে নতুনভাবে সৌম্যকে ফিরিয়ে আনার কৃতিত্ব নেননি হাতুরুসিংহে। বরং তিনি চান প্রিয় শিষ্য যেন সবকিছুতে পুরোনো রূপ ফিরে পায়।
নেপিয়ারে মঙ্গলবার ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান কোচ সৌম্যকে নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানেই তাকে ফিরে পাওয়ায় কোচের অবদান কতটা, এমন এক প্রশ্নে বলেছেন, ‘আমি নই, সে নিজেই নিজেকে ফিরিয়েছে। দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে এটা সৌম্যর জন্য ছিল “হয় মারো, না হয় মরো”। এটাই প্রমাণ করে, সে মানসিকভাবে কতটা শক্তিশালী। সে জানত, পুরো দেশ তার বিপক্ষে ছিল। সে যদি ব্যর্থ হতো, তাহলে কী হতো, সেটা আমরা জানি না।’
বাঁহাতি ওপেনার কোথাও রান না করেই ফিরেছেন জাতীয় দলে। ফিরে পেয়েছেন পছন্দের ব্যাটিং পজিশনও। কোচের পছন্দেই যে সব হচ্ছে সেটি বলাই বাহুল্য। নিউজিল্যান্ড সফরে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ১৬৯ রানের ইনিংস খেলে সৌম্য জানান দিয়েছেন কতটা সামর্থ্যবান। কোচ চান সৌম্য ফিরুক সবখানে, ‘সৌম্য যেভাবে পারফর্ম করেছে তাতে আমি ভীষণ আনন্দিত। আমি সব সময়ই জানতাম তার এভাবে ভালো খেলার সামর্থ্য আছে। আমি যখন ছিলাম সেটা সে আগেও দেখিয়েছে।’
নানা সমালোচনা কিংবা চাপ থাকলেও কোচের আস্থা ছিল সৌম্যর ওপর, ‘সবাই বলি ক্লাস ইজ পারমানেন্ট। ফর্মটা হয়তো নানাবিধ বিষয়ে প্রভাবিত হয়। বিশেষ করে মাথার ভেতরে কী চলে তখন বলা মুশকিল। যদি একবার নিজের সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায় তাহলে নিজের ভূমিকা ও পরিবেশ নিয়ে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা যায়। তখন নিজের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে নেওয়া যা। সে যদি এভাবে পরিষ্কার মাথা নিয়ে থাকে, তাহলে টি-টোয়েন্টিতেও তার পারফর্ম না করার কোনও কারণ দেখি না।’