প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১:৩১ পিএম
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১:৩৫ পিএম
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় টেস্টের ভেন্যু মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পিচকে ‘অসন্তোষজনক’ বলেছে আইসিসি। সেই সঙ্গে মিরপুরকে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও দেওয়া হয়েছে। এই ডিমেরিট পয়েন্ট থাকবে পাঁচ বছরের জন্য। এই সময়ের মধ্যে মোট ছয়টি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা পাবে হোম অব ক্রিকেট।
আজ মঙ্গলবার আইসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, ম্যাচ অফিসিয়ালদের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে এবং দুই অধিনায়কের সঙ্গে আলোচনার পর আইসিসির কাছে প্রতিবেদনে ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন জানান, ‘আউটফিল্ড বেশ ভালো ছিল, বৃষ্টির পরও দারুণভাবে টিকে ছিল। কিন্তু মনে হয়েছে পিচ হয়তো ঠিকঠাক প্রস্তুত নয়। এটি শক্ত ছিল না। প্রথম সেশন থেকে পুরো ম্যাচে অসম বাউন্স ছিল। অনেক বল পিচ থেকে লাফিয়ে উঠেছে, ব্যাটসম্যানের কাঁধের ওপর উঠেছে স্পিনারদের বল, আবার মাঝেমধ্যেই হয়েছে বেশ নিচু।’
আইসিসির নিয়মানুযায়ী, পুরুষ এবং নারী ক্রিকেটে প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের পর পিচ ও আউটফিল্ডকে আলাদা করে রেটিং দেওয়া হয়। সাধারণত পিচ ও আউটফিল্ডকে খুব ভালো, ভালো, গড়পড়তা, গড়পড়তার নিচে, বাজে ও অনুপযুক্ত এসব শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। একটি নির্দিষ্ট মানের নিচে পিচ বা আউটফিল্ড পড়লে ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। অসন্তোষজনক হলে দেওয়া হয় একটি ডিমেরিট পয়েন্ট এবং খেলার অনুপযুক্ত হলে সেক্ষেত্রে তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়।
সবশেষ ২০১৮ সালে মিরপুরের পিচ ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিল। সেবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের পর মিরপুরের পিচকে ‘গড়পড়তার নিচে’ বলে আখ্যায়িত করেছিল আইসিসি। ওই টেস্টে ৩৮ উইকেটের মধ্যে ৩০ উইকেটই নিয়েছিলেন স্পিনাররা। এরপর আইসিসির সিদ্ধান্তের বিপরীতে আপিল করেছিল বিসিবি। কিন্তু নিজেদের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ শাসক সংস্থাটি। এবারও চাইলে এই সিদ্ধান্তের বিপরীতে আপিল করতে পারবে বিসিবি।
বৃষ্টি এবং আলোকস্বল্পতার কারণে মিরপুরে দুই দিনে প্রায় চার সেশনের মতো খেলা হয়নি। তারপরও চতুর্থ দিনের মধ্যেই খেলা শেষ হয়ে যায়। ম্যাচে দাপট ছিল স্পিনারদের। ৩৬ উইকেটের মধ্যে ৩০ উইকেটই নেন দুই দলের স্পিনাররা। খেলায় জিতেও পিচ নিয়ে নিজের অসন্তুষ্টির কথা প্রকাশ্যেই জানিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টিম সাউদি। বলেছিলেন, এটি তার দেখা সবচেয়ে বাজে উইকেট।’