প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১:৫৬ পিএম
সুদিন ফিরেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে। একের পর এক সুখবর পাচ্ছেন বাংলার নন্দিনীরা। র্যাঙ্কিংয়ে তোলপাড় সৃষ্টির পর এবার ‘আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ পুরস্কার জিতলেন নাহিদা আক্তার। ফারজানা হক ও পাকিস্তানের সাদিয়া ইকবালের সঙ্গে নভেম্বরে ছিলেন সেরার দৌড়ে। দুজনকে টপকে প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে ‘মাসসেরা’ নির্বাচিত হয়েছেন বাঁ-হাতি এই স্পিনার। এর আগে অক্টোবরে মনোনয়ন পেলেও শেষ পর্যন্ত পুরস্কার জেতেননি নাহিদা।
সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছিল পাকিস্তান। তিনটি করে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডের সিরিজ খেলেছিল দুই দল। সিরিজ দুটি জেতে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজে জয়ে বড় অবদান রাখেন নাহিদা ও ফারজানা। তৃতীয় ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের বড় জয়ে ম্যাচসেরা হন ফারজানা। নাহিদা ছিলেন সিরিজসেরা। তিন ম্যাচে ১৪.১৪ গড়ে সর্বোচ্চ ৭ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। নভেম্বরে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেট তার। শেষ ওয়ানডেতে ২৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন এই স্পিনার। এরই মধ্যে ৮৬ উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ২৩ বর্ষী নাহিদা। ৪৮ উইকেট নিয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তিনে তিনি।
মাসসেরার পুরস্কার জেতার পর নাহিদা আইসিসিকে বলেছেন, ‘মুহূর্তটা মনে রাখার মতো। এমন মর্যাদাপূর্ণ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গড়া প্যানেল থেকে পাওয়া স্বীকৃতির তাৎপর্য অনেক। আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা আমার জন্য প্রেরণা ও উৎসাহের বিশাল উৎস হয়ে থাকবে।’ তিনি যোগ করেন, ‘গত কয়েক মাসে অসাধারণ কিছু ক্রিকেট খেলেছি। দল হিসেবে যে সাফল্য পেয়েছি, তাতে অবদান রাখতে পেরে দারুণ খুশি। অবশ্যই অধিনায়ক, কোচ, সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে হবে আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য। এটিই আসলে মানসম্পন্ন দলের বিপক্ষে সহজাত খেলা খেলতে, চাপের মুখে পারফর্ম করার সুযোগ করে দিয়েছে।’
ছেলেদের বিভাগে মাসসেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সের সৌজন্যে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাকে। সেরার দৌড়ে তিনি পেছনে ফেলেছেন স্বদেশি অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ভারতের পেসার মোহাম্মদ শামিকে।