প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ০০:৩৫ এএম
স্যান্টনারের কণ্ঠেও উঠে এলো ব্লুপ্রিন্ট প্রসঙ্গ— ছবি: আ. ই. আলীম
ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। দ্রুত ৫ উইকেট হারিয়ে অনেক ‘যদি-কিন্তুর’ প্যাঁচে পড়ে গেছে টিম সাউদির দল। বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলাম আর মেহেদি হাসান মিরাজের ঘূর্ণিপাকে পথটাও হারিয়ে বসেছে প্রায়। তবে এখনই হাল ছাড়ছে না সফরকারীরা। লড়াইয়ে ফেরার প্রত্যয় কিউইদের। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ঘুরে দাঁড়নোর কথাই বলেছেন কিউই স্পিনার মিচেল স্যান্টনার। ‘ব্যাটলড অব স্পিনে’ টিকে থাকতে মরিয়া হয়ে আছে নিউজিল্যান্ড।
আলোকস্বল্পতার কারণে গতকাল মিরপুরে দিনের খেলা শেষ হয়েছে বেশ কিছু সময় আগেই। উইকেটের যেমন আচরণ, তাতে কথা উঠেছে খেলা কতদিন গড়ায় সেটি নিয়ে। আজ দ্বিতীয় দিনে ১১৭ রানে পিছিয়ে থাকা কিউইদের হয়ে হাল ধরবেন ড্যারিল মিচেল ও গ্লেন ফিলিপস। এ দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ওপর আস্থা রাখছেন স্যান্টনার।
তার কথায়, ‘উইকেট যেমনই থাকুক আমাদের কাজ হবে জুটি গড়ার চেষ্টা করা। এটা হয়তো ১০০-১২০ রানের জুটি হবে না। কিন্তু ৫০ রানের জুটিও এগিয়ে নিতে পারে। এজন্য যতটুকু সম্ভব আমাদের লড়াই করার চেষ্টা করে যেতে হবে। এরপর যখন তারা একটা খারাপ বল করবে, সাধারণত যেটা করে না, তাহলে সেটাকে কাজে লাগাতে হবে। সবার পরিকল্পনা আছে স্পিনারদের ওপর চাপ ফিরিয়ে দেওয়ার।’
তবে বাংলাদেশের স্পিনারদের ওপর চাপ ফিরিয়ে দেওয়াটা কঠিন চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করছে সফরকারীরা। স্যান্টনারের বলেছেন, ‘ঢাকা টেস্ট চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে। আমরা একটু আগেই আলোচনা করছিলাম, জুটি গড়ার চেষ্টার বিষয়ে। যাই হোক এটা ৮০ বা ৯০ রানের ব্যাপার নয়, দ্রুত ৩০ রানের ইনিংসও হতে পারে। আগামী দিনগুলোতে দারুণ লড়াই হতে যাচ্ছে, সন্দেহ নেই।’
আগের দিন স্বাগতিকদের বিপক্ষে ব্লুপ্রিন্ট পাওয়ার কথা বলেছিলেন কিউই অধিনায়ক টিম সাউদি। স্যান্টনারের কণ্ঠেও উঠে এলো ব্লুপ্রিন্ট প্রসঙ্গ, ‘আমরা জানি বাংলাদেশ ঘরের মাঠে কতটা ভালো। এ ধরনের কন্ডিশনে তাদের হারানো খুব কঠিন। প্রথম টেস্টেই তারা কীভাবে এই ধরনের উইকেট কাজ করে তার ব্লুপ্রিন্ট দেখিয়েছে।’
আগের ম্যাচে একাদশে না থাকা স্যান্টনার দলে এসেছেন ইশ সোধির জায়গায়। প্রথম দিনে বাংলাদেশকে ১৭২ রানে গুঁড়িয়ে দিতে ২৮ ওভার বল করে ৬৫ রান দিয়ে শিকার করেছেন ৩ উইকেট।
মিরপুরের টার্নিং উইকেট কীভাবে দেখছে কিউইরা, এই প্রশ্নের জবাবে স্পোর্টিং মানসিকতাই দেখিয়েছেন স্যান্টনার, ‘এখানে স্পিন ছিল। এখানে এটাই আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। এখানে স্পিন হয়, এটা ঠিক আছে। এ ধরনের উইকেটে এসে চ্যালেঞ্জ নেওয়া আমাদের জন্য ভালো। কারণ যখন ঘরের মাঠে খেলি, তখন আমরাও সবুজ উইকেট বানাই, যেখানে বল সুইং করে।’