প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৩:১৬ পিএম
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৬:৩৫ পিএম
মুশফিক উইকেট বিলিয়ে দিয়েই এসেছেন। ছবি: সংগৃহীত
কাইল জেমিসনের বলটি ঠেকিয়ে বোকা বনে গেলেন মুশফিকুর রহিম। হাত দিয়ে ইশারা করে তাৎক্ষণিক বোঝাতে চাইলেন, ‘স্টাম্পে আসবে না বল।’ ততক্ষণে আম্পায়ারের কাছে আউটের আবেদন করে বসেছে নিউজিল্যান্ড। মাঠের আম্পায়ার সরাসরি আউট না দিয়ে তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে যায়, সেখান থেকে জানানো হয় ‘বলের গতি রোধ করার জন্য আউট হয়েছেন মুশফিক।’
মিরপুর টেস্টে প্রথম সেশনের বাজে ব্যাটিং সামলে এগিয়ে নিচ্ছিলেন মুশফিক-সাহাদাত। দলীয় শতরান পেরোনোর পর বিপদ বাড়িয়েছেন মুশফিক। তার আউটটিকে ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে, অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড’ । বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এভাবে আউট হলেন তিনি। এভাবে আউট অবশ্য আগে পরিচিত ছিল ‘হ্যান্ডলড দ্য বল’ নামে। তবে ২০১৭ সালে আইনে একটু পরিবর্তন আনে ক্রিকেটের আইনপ্রণেতা সংস্থা। এই আউটকেও ‘অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড’ আউটের অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া হয়।
অদ্ভুদ আউটের ঘটনাটি বাংলাদেশের ইনিংসের ৪০.৪ ওভারে। লাঞ্চের পর দারুণভাবে ব্যাটিং করা মুশফিক জেমিসনের বলটিকে সলিড ডিফেন্স করেন। কিন্তু বল যখন ড্রপ খেয়ে ভেতরের দিকে আসছিল তখন তিনি হাত দিয়ে সরিয়ে দেন। যদিও বলটি ঠিকঠাক ভাবে গেলেও স্টাম্প ভাঙত না। কিন্তু অবচেতনভাবে করা কাজটিতেই কাল হয়েছে মুশফিকের।
ক্রিকেট আইনের ৩৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, এই আউট ‘অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড’-এর আওতায় পড়ে। ৩৭.১.২ আইন অনুযায়ী, বল ডেলিভারি হওয়ার পর যে হাতে ব্যাট ধরা নেই সেই হাত দিয়ে যদি ব্যাটার বলকে আটকানোর চেষ্টা করেন অথবা বল ব্যাটে প্রথম বা দ্বিতীয় বার লাগার পর যদি হাত দিয়ে সরিয়ে দেন, তা হলে তা অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ডের আওতায় পড়ে।
ক্রিকেটের নিয়ম অনুযায়ী, বল থামানোর জন্য আউট হয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। মুশফিক ৩৫ রানে থামলেও অপরপাশ সামলে এগোচ্ছেন সাহাদাত হোসেন। ২৫ রানে ব্যাট করা সাহাদাতকে সঙ্গ দেবেন মেহেদী হাসান মিরাজ। লাঞ্চের পর ব্রেকের আগে বাংলাদেশ ১০৯ রান তু্লতে ৫ উইকেট হারিয়েছে। কিউইদের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন স্যান্টনার ও আইজাজ প্যাটেল।