'টাইমড আউট' বিতর্ক
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ০০:৪৫ এএম
আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ১২:০১ পিএম
টাইমড আউট হয়ে সাজঘরে ফিরছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস।
প্রথমবারের মতো 'টাইমড আউট’ নিয়মের শিকার হলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। সাদিরা সামারাবিক্রমা আউট হয়ে সাজঘরে ফেরার পর পরবর্তী বল মোকাবিলা করতে দুই মিনিটের বেশি সময় নিয়ে ফেলেন ম্যাথুস। বাংলাদেশের আবেদনে সাড়া দিয়ে মাঠের আম্পায়ার আউট দেন লঙ্কান এ অলরাউন্ডারকে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিরল এই ঘটনার জন্ম দিয়ে ইতিহাসে নিজের নাম লিখে ফেলেছেন সাকিব আল হাসান।
ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা। হার-জিত যাই হোক না কেন, ম্যাচ শেষে ক্রিকেটারদের হাত মেলানোটা একটা রীতি। কিন্তু ক্রিকেট ভ্রাতৃত্বকে থোরাই কেয়ার করে ম্যাথুসরা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাতই মেলাননি। শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়দের সঙ্গে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সৌহার্দ্য বিনিময় হয়েছে কি না? সৌজন্যতামূলক হাত মেলানোর বিষয়ে সাকিব বলেন, ‘আমরা (হাত মেলানো) মেলাইনি তা নয়, ওরা চলে গেছে।’
ম্যাথুস আরও বলেন, ‘হেলমেটের ফিতা ছিঁড়ে যাওয়ার পরও আমার হাতে পাঁচ সেকেন্ড সময় ছিল। আমাদের ভিডিও ফুটেজ আছে, সেটা পরে বিবৃতিতে প্রকাশ করব।’ এখানেই শেষ নয়। সাকিবকে আউট করে হাতঘড়ির দিকে ইঙ্গিত করে খোঁচাও দেন ম্যাথুস। আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলতেও দ্বিধা করেননি ম্যাথুস, ‘আম্পায়াররা (মারাইস ইরাসমাস ও রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ) মেনে নিয়েছেন যে এখানে সরঞ্জামের ত্রুটি ঘটেছিল। তারা ওপরের (তৃতীয় আম্পায়ার) সাহায্য নিতে পারতেন এবং যাচাই করতে পারতেন।’
ঠিক কতটুকু সময় পার হয়েছে, সেটি প্রযুক্তির সহায়তায় আম্পায়াররা চাইলেই যাচাই করে দেখতে পারতেন, ‘আম্পায়াররা আমাদের কোচদের বলেছেন, পুরো পরিস্থিতি তাদের এভাবে পর্যালোচনা করা উচিত ছিল। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর এটা নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো মানে হয় না। প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। আম্পায়াররা সহজেই সময়ের পার্থক্য বের করতে পারতেন।’
বাংলাদেশকে অসম্মান করে ম্যাথুস বলেন, ‘আমি ভুল কিছু করিনি। আমি যথাসময়েই মাঠে গিয়েছি। এটা হেলমেটের ভুল ছিল। আমি জানি না সাকিবের কমনসেন্স কোথায় গেল তখন, এটা সাকিব ও বাংলাদেশের জন্য লজ্জাজনক। তারা খেলাটাকে এত নিচে নামাল। আইন অনুযায়ী আমি দুই মিনিটের মধ্যেই সেখানে ছিলাম।’