প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৩ ০০:০৫ এএম
আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৩ ০০:০৭ এএম
চারদিকে পাহাড়ঘেরা সবুজ পরিবেশ। চোখের পলক যেন পড়তেই চায় না। ধর্মশালার মাঠের চারপাশের আবহটা এমনই মনোরম। কোনো কথা নেই পিচ নিয়ে। আর দৃষ্টিনন্দন গ্যালারি দেখলে যে কারোর মন নেচে উঠবে আনন্দে, অপেক্ষায় থাকবেন ক্রিকেটের উন্মাদনায় ভাসতে।
কিন্তু হিমাচল প্রদেশ অ্যাসোসিয়েশন ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড নিয়ে আলোচনা যেন কিছুতেই থামছে না। বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হয়েছে ফিল্ডারদের। মুজিব উর রহমানের বাউন্ডারি রোখার ব্যর্থ চেষ্টার ছবি দেখলে যে কারোর গা শিউরে উঠতে বাধ্য।
মুজিবের পায়ের ঘষায় যেভাবে আউটফিল্ডের মাটিসমেত ঘাস উড়ছিল, তাতে করে চোট-শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। আগামীকাল বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচও এ মাঠে। তার আগে আইসিসি পরিদর্শক দল মাঠ পরিদর্শন করে ‘গড়পড়তা’ই বলছে আউটফিল্ডকে।
যদিও অনেক জায়গায় ঘাসের ফাঁক গলে দেখা যাচ্ছে মাঠের মাটি। প্রথম ম্যাচে তাসকিনের রানআপের সঙ্গে বালি উড়তে দেখা গেছে। ডাইভ দিয়ে লিটন দাসের বল আটকানোর সময়ও উড়তে দেখা গেছে ধুলো।
কিন্তু তারপরও বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ ও স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথ এমন আউটফিল্ড নিয়েও সন্তুষ্ট। এমন বাজে মাঠেও মানিয়ে নেওয়ার অপেক্ষায় তারা।
কিন্তু ধর্মশালার আউটফিল্ড নিয়ে বাংলাদেশের সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান ইংল্যান্ডের। আউটফিল্ডকে ‘বাজে’ অভিহিত করে নিজের উদ্বেগের কথাই জানিয়েছেন ইংলিশ ক্যাপ্টেন জস বাটলার। আফগান কোচ জোনাথন ট্রট তো আগেই ইংলিশদের ফিল্ডিংয়ে ডাইভ দেওয়ার সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে রেখেছেন।