প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১২:২৪ পিএম
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৪:২৩ পিএম
কলম্বোতে বৃষ্টিতে যেদিন খেলা রিজার্ভ ডেতে গড়াল, সেদিন শোয়েব আখতার টুইটারে বলেছিলেন- ‘পাকিস্তানকে বাঁচিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি।’ ঠিক একই ধরনের আরেকটি পোস্ট পরের দিন শেয়ার করেছিলেন কিংবদন্তি পেসার।
আরও পড়ুন - মাগুয়েরের ভুল, বেলিংহামের গোল এবং ইংল্যান্ডের ‘৬০০’
‘বার সোরে মেঘা মেঘা’ গানের সুরে বৃষ্টিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। বৃষ্টি অবশ্য শোয়েবের কথা শোনেনি, উল্টো পাকিস্তানের ব্যাটাররা দেখিয়েছেন বড্ড তাড়াহুড়ো। ভারতের কাছে তাই হেরে গেছেন রেকর্ড ব্যবধানেও।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে এমন হারকে স্রেফ ‘অপমান’ হিসেবে দেখছেন শোয়েব। ২২৮ রানের হারের পেছনে অবশ্য কারণও খুঁজতে যাননি বাকিরাও। পাকিস্তানের প্রধান কোচ গ্রান্ট ব্রাডবার্ন বলেছেন- ব্যাটিং, বোলিং কিংবা ফিল্ডিং; তিন বিভাগের কোনোটিতেই ভারতের সঙ্গে পেরে ওঠেনি বাবর আজমরা।
খোদ বাবর আজমও তাই দোহাই দিতে চান না, ‘প্রকৃতি তো আর হাতে নেই। তবে ব্যাটিং ও বোলিংয়ে (হেরেছি)। আমাদের বোলারদের বিপক্ষে তাদের পরিকল্পনা ছিল। রাহুল ও বিরাট দারুণ ফিনিশ করেছে। জাসপ্রীত ও সিরাজ প্রথম ১০ ওভারে দুই দিকেই সুইং করিয়েছে। আমরাও দ্রুত কিছু উইকেট হারিয়েছি, জুটি গড়তে পারিনি।’
হার মেনে নিলেও এমন হারকে সমালোচনা করেছেন শোয়েব। বিশ্বের এক নম্বর ওয়ানডে দলের এমন নাজুক অবস্থাকে অপমানজনক বলছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার, ‘বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করছিলাম। ভাবছিলাম যে বৃষ্টি হয়ে যাক। জীবনটা বাঁচুক। তবে এভাবে আসলে হয় না। পাকিস্তান বেশ অপমানজনকভাবে হেরেছে। পাকিস্তান ১২৮ রানে অলআউট হয়েছে। এটা খুবই আশঙ্কাজনক ব্যাপার। এত ভালো ব্যাটিং উইকেটে পাকিস্তান টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত কেন নিল? আর এত ভালো দল ভারতকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ কেন দিল? এই সিদ্ধান্ত আমার কাছে একটু অদ্ভুতই ঠেকেছে। এর ফলও এখন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন।’
তবে ফাইনালেও ভারত-পাকিস্তান মহারণ চান শোয়েব আখতার, ‘এক ম্যাচ দিয়েই পাকিস্তানকে বাতিল করা যাবে না। যেমন এক ম্যাচ দিয়ে ভারতকেও বাতিল করার সুযোগ নেই। এখন দুই দলকে ফাইনালে যেতে হবে। ফাইনালে দুই দলের মানসিকতা ও স্নায়ুর পরীক্ষা হবে।’