প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৩ ২২:৩৫ পিএম
‘চলছে সময় ছুটে হন্তদন্ত, জীবন যেন এক দম দেয়া যন্ত্র…’- বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের জীবনটা যেন ঠিক তাই। আজ এখানে তো কাল সেখানে। গতকাল ঢাকায় পা রেখেছেন তিনি। তার আগের যাত্রাটা শুনুন- শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে এরপর এসেছেন বাংলাদেশে। দেশে পা রেখেও কি ফুরসত আছে একটু? সকালে বরিশাল গেলেন, দুপুর গড়াতেই ঢাকায়।
আরও পড়ুন : কুস্তিগির কোহলি
তবে এত্ এত ব্যস্ততার মধ্যেও ক্রিকেটের ভাবনাটাই থাকে সর্বাগ্রে। আমিরাত কিংবা বরিশাল, সব জায়গাতেই একটা কথা মিলে যাচ্ছে- ‘আমাদের দলের জন্য দোয়া করবেন।’ জানালেন, এখন স্বপ্ন স্রেফ বিশ্বকাপ আর এশিয়া কাপকে ঘিরেই।
কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি খেলে এসেছেন। এরপর শ্রীলঙ্কায় লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ। এশিয়া কাপ দিয়ে তার জাতীয় দলের ব্যস্ততা শুরু হচ্ছে আবার। এই এশিয়া কাপের খণ্ডিতাংশ আবার হবে ওই লঙ্কার মাটিতেই। সবশেষ এলপিএল অভিজ্ঞতাটা তাই কাজে দেবে, অভিমত সাকিবের। তার কথা, ‘শ্রীলঙ্কারটা (এলপিএল) আমাদের জন্য একটু গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যেহেতু শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমাদের ম্যাচ আছে। ওদের সবার সঙ্গে খেললাম, মাঠের সম্পর্কে ধারণা হলো; ওদের প্লেয়ারদের সম্পর্কে আইডিয়া হলো। সেদিক থেকে ভালোই হলো।’
সেই আফগানিস্তান সিরিজ থেকে শুরু। এরপর কানাডা, শ্রীলঙ্কার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেললেন; সামনে আছে এশিয়া কাপ, নিউজিল্যান্ড সিরিজ আর বিশ্বকাপ। ব্যস্ত সময় কাটছে সাকিবের। তবে এসব অবশ্য তিনি উপভোগই করেন। তার কথা, ‘যেটা বললাম, পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আমাদের এগুলো ম্যানেজ করেই চলতে হয়। যেহেতু সময় এত বেশি নেই। এই অল্প সময়ে সবকিছু ম্যানেজ করার একটা ওয়ে তো বের করাই লাগে। ব্যস্ততা থাকে। কিন্তু ভালোই লাগে ব্যস্ততা।’ এই ব্যস্ত সময়ে ফিট থাকাটাই সবচেয়ে বড় চাওয়া সাকিবের। তার কথা, ‘চেষ্টা করছি যতটা ফিট থাকা যায়। যেহেতু সামনে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট বা সিরিজ আছে। প্রচুর খেলা আছে, ইনজুরি হওয়ার সম্ভাবনাটা বেশি।’