প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৩ ২০:২৩ পিএম
২০১৯ সালে আবুধাবি টি-টেন লিগে কর্ণাটক টাস্কার্সের দলে ছিলেন স্যামুয়েলস। যদিও কোনো ম্যাচে মাঠে দেখা যায়নি তাকে। এ সময়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা এই অলরাউন্ডার। পরে এ বিষয়ে ২০২১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে স্যামুয়েলসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ গঠন করেছিল আইসিসি। যার রায় প্রকাশে জানা গেছে, দুর্নীতিবিরোধী চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন স্যামুয়েলস।
বলা হচ্ছে, আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.৪.২, ২.৪.৩, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ নম্বর ধারা ভেঙেছেন স্যামুয়েলস। এ ধারায় বলা আছে, কোনো রকমের উপহার, অর্থ, আতিথেয়তা বা অন্য সুবিধা নেওয়ার তথ্য স্বীকৃত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাকে না জানানোর মাধ্যমে ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা। বাকি তিনটি ধারায় অবশ্য স্যামুয়েলসকে ট্রাইব্যুনালের সব সদস্যই দোষী মনে করেছেন। এর মধ্যে আছে ৭৫০ বা এর বেশি ইউএস ডলার পাওয়ার তথ্য গোপন করা, তদন্তে স্বীকৃত কর্মকর্তাকে সহযোগিতায় ব্যর্থতা ও তথ্য গোপন করে স্বীকৃত কর্মকর্তার তদন্ত কার্যক্রম বিলম্বিত করা।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০০৮ সালে দুর্নীতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে দুই বছর ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন স্যামুয়েলস। পরে দলে ফিরে ২০১২ ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উইন্ডিজের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন ৩৪৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার।