প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৩ ২১:৫৬ পিএম
গত এক দশকে টেস্ট ক্রিকেটে ঘরের মাঠে সবচেয়ে সফল ভারত। এ সময় খেলা ৪২ টেস্টের মধ্যে ৩২টিতেই জয় পেয়েছে ভারত। হেরেছে মাত্র তিনটি টেস্টে। এই একই সময়ে ঘরের মাঠে ৬৮ টেস্ট খেলে ২০টিতেই হেরেছে ইংল্যান্ড। ড্র করেছে ১০টিতে। অস্ট্রেলিয়ার অবস্থা এরচেয়েও খারাপ। ৫১ টেস্টের মধ্যে দলটি জয় পেয়েছে ৩৬টি টেস্টে।
আরও পড়ুন : বাবর-কোহলির পর লিটন-তামিম, দুইয়ে বাংলাদেশ
ঘরের মাঠে টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের এমন সাফল্যের মূলে স্পিনবান্ধব উইকেট ও দলটির বিশ্বমানের একাধিক স্পিনার। যারা উইকেট নেওয়ার সঙ্গে ব্যাট হাতেও দুর্দান্ত। ভারতের এই ফলটা বিদেশের মাটিতেও ভালো হতে পারত যদি তাদের দলে বেন স্টোকস, ক্যামেরুন গ্রিন কিংবা মিচেল মার্শের মতো পেস বোলিং অলরাউন্ডার থাকত; এমনটাই মনে করেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন।
তার মতে, ‘ভারতের এই মুহূর্তে স্টোকস-টাইপ ক্রিকেটার প্রয়োজন। প্রয়োজন একজন ক্যামেরুন গ্রিন-টাইপ ও একজন মিচেল মার্শ-টাইপ ক্রিকেটার। যারা ৬ বা ৭ নম্বর ব্যাটার। যারা ১০ বা ১৫ ওভার বল করতে পারে এবং জেনুইন উইকেট নেওয়ার মতো সিম ও সুইং আছে। এমন বোলার নয় যে একটু ব্যাট করে, এমন একজন ব্যাটার যে আপনাকে ১০ ওভার সিম বোলিং দিতে পারে। এটি হলেই ঘরের বাইরে ভারসাম্য তৈরি হবে, যা ভারতকে শক্তিশালী করে তুলবে।’
২০১৩ সালের পর থেকে ঘরের মাঠে রবীন্দ্র জাদেজার ব্যাটিং গড় ৪২। দুটি সেঞ্চুরির সঙ্গে ১১টি হাফসেঞ্চুরি রয়েছে তার। অশ্বিনের ব্যাটিং গড় ২৫। সম্প্রতি ৯ নম্বরে ব্যাট করতে নামা অক্ষর প্যাটেল শেষদিকে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তবে বিদেশের মাটিতে বাড়তি স্পিনার নিতে না পারায় শেষদিকে ভালো রান আসে না ভারতের, যা ভারতকে ভুগিয়েছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও। দলে ভারসাম্য আনতে তাই পেস বোলিং অলরাউন্ডারের প্রয়োজনীয়তা দেখেন নাসের।
তিনি আরও বলেন, ‘ফিট থাকলে হার্দিক পাণ্ডিয়া আদর্শ হতেন। তবে তিনি পিঠে চোট পাওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে গেছে। তার শরীর লাল বলের ক্রিকেটের ভার সইতে পারবে না। ভারত রোহিত ও বিরাটের মতো সিনিয়র খেলোয়াড় পেয়েছে এবং শুভমান গিলের মতো তরুণরা এসেছে, যারা সুপারস্টার হতে চলেছে। তবে যখন এটি ঘর থেকে দূরে হয়, তখন দল ভারসাম্য পেত একজন সিম বোলিং অলরাউন্ডার থাকলে।’