× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ফিফার অভিযোগের 'গভীরে' গেছে তদন্ত কমিটি, আছে কিছু সুপারিশও

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৩ ১১:০০ এএম

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৩ ১১:০০ এএম

গত এপ্রিলে আর্থিক অনিয়মের জন্য আবু নাঈম সোহাগকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ফিফা

গত এপ্রিলে আর্থিক অনিয়মের জন্য আবু নাঈম সোহাগকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ফিফা

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে ফিফা দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় গত ১৪ এপ্রিল। এরপরই তাকে ‘আজীবন নিষিদ্ধ’ করে বাফুফে, সঙ্গে গঠন করে একটি তদন্ত কমিটি, যার মেয়াদ ছিল ৩০ দিন। সেই কমিটি গঠনের প্রায় সাড়ে তিন মাস পর অবশেষে প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত কমিটি। এরপর কমিটির প্রধান কাজী নাবিল আহমেদ জানালেন, দায়িত্ব পালন করার পর অবশেষে ‘নির্ভার’ হয়েছেন কমিটির সবাই। 

গত ১৫ এপ্রিল তদন্ত কমিটি গঠন করলেও ঈদুল ফিতরের পরই শুরু হয় কার্যক্রম; জানানো হয় ৩০ দিন নয়, প্রতিবেদন জমা দিতে হবে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে। কাজ শুরুর আগেই অবশ্য দুই সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ ও আতাউর রহমান ভূঁইয়া পদত্যাগ করেন ব্যক্তিগত কারণে। 

৩০ কার্যদিবস শেষ হওয়ার কথা গত ১৪ জুন। তার আগেই ১৫ কার্যদিবসের জন্য বাড়ানো হয় মেয়াদ। তদন্তের প্রতিবেদন এ সময়ের মধ্যেও দেওয়া সম্ভব হয়নি কমিটির। যে কারণে গত ১৭ জুলাই আরও দুই সপ্তাহের মতো সময় চেয়ে নেয় ফেডারেশনের কাছ থেকে। অবশেষে সে ডেডলাইন রক্ষা করতে পেরেছে তদন্ত কমিটি। গতকাল দ্বাদশ সভা শেষে প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেন উপস্থিত সাত সদস্য। তা নিয়ে জমা দেওয়া হয় সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের কাছে।

আরও পড়ুন: লঙ্কান লিগে তাওহিদের ফিফটি, জিতল দল

গত ১৪ এপ্রিল ফিফা ৫১ পাতার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে সোহাগকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। বাফুফের তদন্ত কমিটি কাজ করেছে ওই প্রতিবেদনের ওপরই, সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু নথি নিয়েও কাজ করা হয়েছে। তবে কমিটির প্রতিবেদন অবশ্য অত বড় হয়নি। কমিটির প্রধান কাজী নাবিল জানান, ‘খুব লম্বা হয়নি এ প্রতিবেদন। অনেক কিছু আগে থেকেই ছিল, ফিফার প্রতিবেদনে বিশদ ছিল। সেখানে যা বিশদ আছে, সেগুলো একই জিনিস পুনরাবৃত্তি করার তো কোনো অর্থ নেই। ওখানে লেখাই আছে ফিফা রিপোর্ট থেকেই আমাদের এই তদন্তটা, তো ফিফার অভিযোগের মধ্যেই কিন্তু আমাদের থাকতে হয়েছে। যেসব পয়েন্ট আমরা ছুঁয়েছি, সেসব তো বিস্তারিত ওখানে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। সাবজেক্ট-ম্যাটারে গেলেই কিন্তু আমাদের কাজটা হয়ে যাচ্ছে। এটা ছাড়াও আমাদের অন্য কিছু ডকুমেন্টস ছিল, যা হয়তো পরবর্তীকালে বাফুফেতে সংরক্ষিত থাকবে।’

তদন্ত কমিটির প্রতিটি সভার পরই গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন সদস্যরা। তবে সেখানে অবশ্য খুব বেশি কিছু জানাননি কেউই। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিনও এর ব্যত্যয় ঘটল না। বেশ কিছু প্রশ্নের জবাবে নাবিল বললেন, ‘এটা প্রতিবেদনে আছে, যা আমরা বাফুফের হাতে তুলে দিয়েছি।’

ফিফা তাদের প্রতিবেদনটি নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছিল, যা পড়তে পেরেছিল সবাই। তবে বাফুফের প্রতিবেদন তেমন হবে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে কাজী নাবিল জানালেন, ‘সেটা নির্বাহী কমিটির এখতিয়ার। তারা সেটা বিবেচনা করবে। এরপর আমাদের কিছু বিষয় সবারই জানা হয়ে যাবে। তবে পুরোটা প্রকাশ করবে কি না, তা নির্বাহী কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।’

কিছুক্ষণ পর বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনও কথা বললেন একই সুরে, ‘তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করতে আমি আমার কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু ফেডারেশনে তো আমি একা নই। তো আমি বোর্ড মিটিং ডেকে তাদের দিয়ে দেব, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে।’

এই তদন্ত করতে গিয়ে কমিটি ফিফার আনীত অভিযোগের ‘গভীরে’ গিয়েছে, দাবি নাবিলের। সেই প্রেক্ষিতে বেশকিছু সুপারিশও আছে এই প্রতিবেদনে। তিনি বলেন, ‘সুপারিশ আছে আমাদের কিছু। এই কমিটি করা হয়েছে বাফুফের কার্যক্রমকে শক্তিশালী ও আরও জোরদার করার জন্য। এমন প্রশ্ন যেন ভবিষ্যতে না আসে সেটা আমাদের এই কমিটি হোক, বা পরবর্তীতে অন্য কমিটিই হোক, তখন ফিফা বা এএফসি থেকে আমাদের এমন দায়ভার যেন না আসে।’

তবে প্রতিবেদন জমা দিতে পেরে এখন বেশ নির্ভার তদন্ত কমিটি, জানান নাবিল। বলেন, ‘অনেকটাই ভারমুক্ত মনে হচ্ছে। কোনো দায়ভার নয়, যেকোনো দায়িত্বই অনেক বড় প্রাপ্তি, সেটা আমরা ঠিকঠাক পালন করেছি আমাদের সবচেয়ে ভালো ইন্টেনশনের সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করেছি।’

এই প্রতিবেদন এখন পড়বেন সভাপতি সালাউদ্দিন নিজে। এরপর তা চলে যাবে বোর্ড সদস্যদের কাছে। সেখানেই আসবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা