প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৩ ২৩:২১ পিএম
জার্মানি ছেড়ে ইংল্যান্ডে আসা পেপ গার্দিওলার আক্ষেপ ছিল, ছিল শঙ্কাও— ম্যানচেস্টার সিটিকে প্রিমিয়ার লিগ জিতিয়ে দিতে পারলেই হবে না, সিটিজেনদের ঘরে আনতে হবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। গত মৌসুমে সব পেয়েছেন গার্দিওলা, সিটিকে ইউরোপ সেরা বানিয়ে জিতেছেন ট্রেবল। সিটির আক্ষেপ ঘুচিয়ে দেওয়া স্প্যানিয়ার্ড অর্থও বাঁচিয়ে দিয়েছেন। অঙ্কের হিসাবে তা প্রায় ২ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে সেটির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে!
আরও পড়ুন : ফ্রান্সকে রুখে জ্যামাইকার চমক
সিটিকে অর্থ বাঁচিয়ে দিয়েছেন গার্দিওলা, এমন কথায় বাঁকা চোখে তাকানো হতে পারে। যিনি কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ খরচ করেছেন খেলোয়াড়দের পেছনে, তিনি কীভাবে টাকা কামিয়ে দেবেন! প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে দলবদলবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ফুটবল ট্রান্সফার্স’। তাদের প্রতিবেদন বলছে, গার্দিওলা শুধু ‘অপ্রয়োজনীয়’ খেলোয়াড় বিক্রি করেই সিটিজেন ক্লাবকে এনে দিয়েছেন ২০ কোটি পাউন্ড। সর্বমোট খরচ বাঁচিয়েছেন ৫৫.২ কোটি পাউন্ড।
ফুটবল ট্রান্সফার্স বলছে, ২০১৬ সালে সিটির দায়িত্ব নেওয়ার পর সর্বশেষ মৌসুম পর্যন্ত দলবদলের বাজারে গার্দিওলা খেলোয়াড় কেনা বাবদ ১০৩ কোটি পাউন্ড খরচ করেছেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। তবে খেলোয়াড় বিক্রিও কম করেননি। এই সময়ে তিনি যত খেলোয়াড় বিক্রি করেছেন, সেটা বিয়োগ করলে মোট খরচ কমে আসে ৪৭ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ডে। অর্থাৎ সিটিকে সব জেতাতে ৫৫.২ কোটি পাউন্ড ফেরতও এনে দিয়েছেন। অপ্রয়োজনীয় বা অব্যবহৃত খেলোয়াড় যেমন গার্দিওলা আসার আগের কিছু খেলোয়াড়, তার কেনা কিছু খেলোয়াড় এবং সিটির একাডেমি থেকে উঠে আসা ফুটবলার, যারা জায়গা পাননি মূল একাদশে— মূলত এসব খেলোয়াড় বিক্রি করেই ইংলিশ ক্লাবটিকে ২০ কোটি পাউন্ড এনে দিয়েছেন গার্দিওলা।
বায়ার্ন মিউনিখ ছেড়ে সিটিতে আসা গার্দিওলা আবুধাবিভিত্তিক ক্লাব থেকে নিয়েছেন ১ বিলিয়ন পাউন্ড। গত বছরের শুরুর দিকে স্প্যানিয়ার্ড বলেছেন, ‘দুর্দান্ত সব খেলোয়াড় কিনতে আমাদের কাছে টাকা আছে। খরচ করার ক্ষেত্রে অনেক কিছু জড়িয়ে আছে। গতানুগতিক খেলোয়াড় নিয়ে আপনি একটা-দুটো শিরোপা জিততে পারবেন। কিন্তু সবকিছু জিততে, অনেক বেশি জিততে আপনাকে সেরা হতে হবে, সেরা। এবং সেরা খেলোয়াড় কিনতে কিছু অর্থ তো খসাতে তো হবেই।’