প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৩ ১০:২৫ এএম
ম্যাচটা শেষ তখন। দুই দলের কেউই জেতেনি, কেউই হারেনি। তবে ভারত অধিনায়ক হারমানপ্রীত কাউরের খোঁচা ঠিকই পেয়ে গেছেন আম্পায়াররা। বিষয়টা সেখানেই শেষ হয়ে যেতে পারত। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভারত অধিনায়ক বলেছেন এমন কিছু, যার পর পুরো দল নিয়েই মাঠ ছেড়ে চলে আসেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে জ্যোতি জানান, ‘আমি তো ম্যাচ খেলেছি। আমি ক্রিকেট নিয়ে কথা বলাটাই মনে হয় ভালো। কারণ আমরা উইকেট, আম্পায়ারিং নিয়ে চিন্তা করিনি, আমরা শুধু ম্যাচ খেলেছি। আমার মনে হয় প্রতিটি খেলোয়াড় চেষ্টা করেছে শতভাগ দেওয়ার। বাকি ওরা কী বলছে সেটা নিয়ে চিন্তা করছি না।’
এরপরই উঠে এলো ম্যাচ শেষে সে ঘটনা প্রসঙ্গ। যে কথা শুনে জ্যোতিরা গোটা দল নিয়ে মাঠ ছাড়েন। অধিনায়ক জ্যোতি বলেন, ‘আমি এটা পুরোপুরি বলব ও যেটা বলেছে সেটা ওরই, সেটা আমাদের কোনো কিছু না। আমার মনে হয় ক্রিকেটার হিসেবে ও আরেকটু বেটার ম্যানারওয়েতে কথা বলতে পারত। যেটা আমার কাছে মনে হয় ও করেছে, ওর ব্যাপার। আমার এটা নিয়ে কথা বলা উচিত হবে না।’
বাংলাদেশ অধিনায়কের অভিমত, তার মনে হয়েছিল পরিস্থিতিটা দল নিয়ে সেখানে থাকার মতো নয়, তাই তিনি নিয়েছেন এই সিদ্ধান্ত। তার কথা, ‘কিছু কথা তো আর বলা যায় না। যা হয়েছে, আমার কাছে মনে হয়নি দল নিয়ে ওখানে থাকব। আমি চলে এসেছি। ক্রিকেট খুবই সম্মানের একটা জায়গা, শৃঙ্খলার জায়গা। সবচেয়ে বড় কথা এটা জেন্টলম্যানস গেম। আমার কাছে মনে হয় ওই পরিবেশ ছিল না, তাই দল নিয়ে চলে এসেছি।’
হারমানপ্রীতের ক্ষোভের শুরু যেখান থেকে, সে আম্পায়ারিং নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়কের অভিমত, ‘তারা আউট না হলে তো আম্পায়াররা আউট দিতেন নাকি। ওয়ান অব দ্য বেস্ট আম্পায়ার দেওয়া হয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছেলেদের আম্পায়ারিং করেন। অবশ্যই চিন্তাভাবনা করে ওদের দেওয়া হয়েছে। আমরা সম্মান করেছি তাদের সিদ্ধান্ত। আমরা আউট হলে ওরকম করলাম না কেন। খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সিদ্ধান্ত মানা উচিত।’