প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৩ ১১:২৮ এএম
আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৩ ১১:২৯ এএম
‘লিগের শেষটা জয় দিয়ে করতে চাই’- কোচ অস্কার ব্রুজন জানিয়েছিলেন বিরতির আগেই। লিগ নিশ্চিত হয়ে গেছে আগেই। তবে এরপরও সুতোয় ঢিল দেয়নি বসুন্ধরা কিংস। ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে শেখ জামালকে।
আরও পড়ুন : বাংলাদেশের সিরিজ বাঁচানোর লড়াই
১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে খেলেছে বাংলাদেশ। সে অর্জনের বড় কৃতিত্ব বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়দেরই। জাতীয় দলের একটা বড় অংশ যে বসুন্ধরারই। গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোলকিপার হলেন, তিনিও তো এই বসুন্ধরারই! তবে সে অর্জনের সপ্তাহ না ঘুরতেই আবারও মাঠে নামতে হয়েছে সবাইকে। জিকো যেমন দিনদুয়েক আগে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেছিলেন, ‘দেখুন আমরা পেশাদার খেলোয়াড়। ম্যাচ খেলার জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হয়। লিগের ম্যাচগুলোর পর আমাদের এএফসি কাপের ম্যাচ আছে, সবকিছুর জন্য আমরা প্রস্তুত।’
মাঠেও সে পেশাদার মনোভাবটা দেখাল বসুন্ধরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করল শেখ জামালের ওপর। জয়টাও তুলে নিল অনায়াসেই।
৪ মিনিটে মিগেল দামাসেনোর গোলে শুরু। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি বসুন্ধরাকে। বলের দখল থেকে শুরু করে প্রতিপক্ষ গোলমুখে শট, কোথায় পিছিয়ে ছিল কিংস? বিরতির একটু আগে দরিয়েলতনের দারুণ এক গোলে ব্যবধানটা দ্বিগুণ করে ফেলে দলটি। ম্যাচটা তখনই শেষ হয়ে গেছে কার্যত।
বিরতির পর বসুন্ধরা খানিকটা রয়েসয়েই খেলেছে। এরপরও গোলের দেখা পেয়ে গেছে দলটি। ৭৭ মিনিটে প্রতিপক্ষ বিপদসীমায় ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় দলটি। সে পেনাল্টি থেকে গোলটা করেন রবসন রবিনহো।
শেষ বাঁশির অপেক্ষায় যখন দুই দল, ঠিক তখন একটা গোল শোধ করে শেখ জামাল। মোহাম্মদ আবু সাইদের করা গোলটা শেখ জামালকে স্রেফ সান্ত্বনাই দিতে পেরেছে। ব্যবধানটা একটু কমলেও জয়টা ঠিকই তুলে নেয় বসুন্ধরা।
এই হারের ফলে শেখ জামালের অবশ্য ক্ষতি হয়েছে। শীর্ষ চারে থেকে মৌসুম শেষ করার সম্ভাবনাটা একপ্রকার মিলিয়েই গেছে তাদের। বর্তমানে ২১ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে তালিকার ছয়ে। তাদের ওপরে থাকা মোহামেডান আর শেখ রাসেলের অর্জন ২৬ পয়েন্ট করে। তাদের টপকে চারে থেকে মৌসুম শেষ করতে হলে শেষ দুই ম্যাচে নিজেদের জিততে হবে। অন্যদিকে কামনা করতে হবে ওই দুই দলের হারও।