প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৩ ১৬:৩৭ পিএম
আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৩ ১৭:০৪ পিএম
তামিম ইকবালের বিদায়ের পর রান রেটটা বাড়ানোয় মনোযোগ দিয়েছিলেন লিটন দাস আর নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে তাদের দুজনকে দুটো ওভারে খুইয়ে বাংলাদেশ সরে এসেছিল সে মন্ত্র থেকে। তাওহীদ হৃদয় আর সাকিব আল হাসান খানিকটা স্থিতধী ব্যাটিংয়েই দলের হাল ধরতে চেয়েছিলেন। তবে ক্রমাগত ডটবল চাপটা বাড়াচ্ছিল দলের ওপর। সে চাপেরই বলি হলেন সাকিব। ৩৫ বলে ১৪ রানের ইনিংস খেলে ফিরে গেছেন তিনি। তার পর উইকেটে আসা মুশফিকুর রহিমও ফিরলেন তিন বল খেলে। বাংলাদেশ তাতে পড়ে গেছে ঘোর বিপদেই।
বাংলাদেশের রানের গতি মূলত পড়ে গেছে বৃষ্টির পর থেকে। বৃষ্টির আগে যেখানে দলের রান রেট ছিল ৬ ছুঁইছুঁই, সেখানে বৃষ্টির পর থেকে সাকিব আর হৃদয় এক ওভারে চারের বেশি রান নিতেই হাঁসফাঁস করছিলেন। একের পর এক ডট বল চাপটাও বাড়িয়ে যাচ্ছিল ক্রমে।
সে কারণেই হয়তো বাউন্ডারি মেরে চাপটা কমাতে চেয়েছিলেন সাকিব। তবে আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে মারতে গিয়েই ক্যাচ দেন তিনি কভারে। সেখানে দাঁড়ানো মোহাম্মদ নবীর কৃতিত্বই অবশ্য এখানে বেশি। তার ডান পাশ দিয়ে ছুটে যেতে থাকা বলটা তিনি দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে লুফে নেন। সাকিবের মন্থর ইনিংসের ইতি ঘটে যায় সেখানেই।
কিছু দিন ধরে মুশফিক ছিলেন দারুণ ছন্দে। তবে তিনিও দলের হালটা ধরতে পারেননি। সাকিব বিদায় নেওয়ার মাত্র তিন বল পরই তিনি শিকার বনে যান রশিদ খানের। তার করা লেন্থ বলটা পুল করতে গিয়ে লাইন মিস করে বসেন, বলটা তার পায়ে লেগে গিয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে। মুশফিক ফেরেন মোটে ১ রান করেই।
দুই ওভারে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের বিদায়ে বাংলাদেশ বিপদেই পড়ে গেছে। ১১২ রান তুলতেই যে হাওয়া হয়ে গেছে অর্ধেক ইনিংস!