× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

লড়াইয়ের মাঝে আরেক লড়াই

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৩ ১০:১০ এএম

লড়াইয়ের মাঝে আরেক লড়াই

প্রতীক্ষা ফুরাল না দীর্ঘ থেকে দীর্ঘায়িত হলো- সে প্রশ্নের উত্তর পেতে খুব বেশি সময় আর অপেক্ষা করতে হচ্ছে না ম্যানচেস্টার সিটি ও ইন্টার মিলান সমর্থকদের। দিন গড়ালেই ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় পরার মহারণ। উৎসবের নগরী গোটা তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহর। বহুরূপী সাজে সেজেছে আতাতুর্ক স্টেডিয়াম। সমর্থকদের মধ্যেও চলছে চাপা উত্তেজনা।

আরও পড়ুন : ম্যানসিটির প্রথম নাকি ইন্টারের চতুর্থ?

কথার লড়াইকে পাশ কাটিয়ে স্টেডিয়ামের দখল পেতে মরিয়া দুই দলের সমর্থকরা। ম্যাচের আগে গলা বসে গেলে উপায় নেই। নজর রাখতে হবে সেদিকেও। ফাইনালে গলা ফাটিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ঘরে তোলা চায়। সাজতে শুরু করেছে সান সিরো ও ইতিহাদ। সেই সঙ্গে জমেছে কথার লড়াইও। ফাইনালে কে হবেন গার্দিওলার ট্রাম্পকার্ড। সিমোন ইনজাঘির হয়ে ওভার ট্রামইবা ছুড়বেন কে। সে সবের খুঁটিনাটিই এক করার চেষ্টা।

হালান্ড-মার্টিনেজ ফ্যাক্টর

এই মুহূর্তে গার্দিওলার সেরা অস্ত্র আর্লিং হালান্ড। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সটাও কথা বলছে পক্ষেই। স্বপ্নের মতো এক মৌসুম পার করছেন নরওয়েজিয়ান তারকা। অভিষেক মৌসুমেই হয়ে উঠেছেন গার্দিওলার আস্থার নাম। ইতোমধ্যেই ভেঙে দিয়েছেন বেশ কিছু রেকর্ড। উঁচিয়ে ধরা হয়েছে দুটি ট্রফি। এবার পালা অমৃতের স্বাদ নেওয়া। তাহলেই স্বপ্নের ট্রেবল শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হবে। তিনি নিজেও মুখিয়ে আছেন।

মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৫২টি গোল করেছেন। যার মধ্যে ১২টি চ্যাম্পিয়নস লিগে। আক্রমণভাগে খেলা হালান্ডকে থামাতে ভিন্ন কৌশল খুঁজে বের করা না গেলে তিনি একাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন। ইনজাঘিরও নিশ্চয় না জানার কথা নয়। তাই নিশ্চয় হালান্ডকে আটকানোর পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেলেছেন তিনি। পাশাপাশি গার্দিওলার কৌশল দুমড়ে মুচড়ে দিয়ে ওভার ট্রাম কার্ড সাজাচ্ছেন তিনি।

এক্ষেত্রে তার সেরা অস্ত্র দারুণ ছন্দে থাকা আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী তারকা লাউতারো মার্টিনেজ। সদ্যই বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন মার্টিনেজ। এবার তার সামনে আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ। মৌসুমে ২৮ গোল করা মার্টিনেজ নিশ্চয় সে পথেই হাঁটতে চাইবেন। এ ক্ষেত্রে তাকে পূর্ণ সহায়তা দিতে লড়বেন এডিন জেকো।

মিডফিল্ডে ডি ব্রুইনে-মার্সেলো ব্রোজোভিচ

সিটিতে গার্দিওলারও বছরখানেক আগে ২০১৫ সালে খুঁটি পুঁতেছেন ডি ব্রুইনে। দেখেছেন বহু তারকা ফুটবলারের প্রস্থান। অথচ তিনি পড়ে আছেন সেই একই স্বপ্নটা নিয়ে। যে স্বপ্ন এতটা কাল বুকে লালন করে এসেছেন তিনি। কদিন আগেও বলেছেন, ফাইনালের মাত্র ৯০ মিনিট সিটির পুরো ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দেয় না। তবে নিজের সবটুকু দিয়ে এটি জিততে চান তিনি। তার এমন কথার ওপর ভরসা আছে গার্দিওলারও।

নিজের সবটুকু নিংড়ে দিতে কখনোই কার্পণ্য করেননি বেলজিয়াম তারকা। আর এটাতে তার স্বপ্নের মিশন। মৌসুমে ১০ গোল ছাড়াও ৩১ গোলে সহায়তা করেছেন তিনি। সুযোগ বুঝে ফাঁকা জায়গায় বল বাড়িয়ে দিতে তার দ্বিতীয় কেউ নেই সিটিতে। প্রয়োজনে নেমে এসে রক্ষণভাগেও শক্তি জোগাতে পারেন। তবে মূল কাজটা মধ্যমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আক্রমণভাগে বলের জোগান ঠিক রাখা। 

মার্সেলো ব্রোজোভিচের দায়িত্বটাও একই। ডি ব্রুইনের পথ রোধ করে ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারেন তিনিও। মধ্যমাঠে বল দখলে রেখে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন তিনি। আক্রমণে খুব একটা না উঠলেও সিটির আক্রমণ পণ্ড করে দিতে তার জুড়ি মেলা ভার। মধ্যমাঠে বল রুখে দিয়ে হয়ে উঠতে পারেন ইন্টারের ত্রাতা। তাই তার দিকে নজর না দিলে ভুগতে হবে সিটিকেও। 

শেষ ভরসা এডারসন-ডামফ্রিস

গার্দিওলাকে রক্ষণ নিয়ে কখনোই খুব একটা ভাবতে হয়নি। গোলবারের নিচে দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক এডারসন। দুই হাত দুদিকে প্রসারিত করে একাই আটকে দিতে জানেন প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগকে। রোবেন ডিয়াস ও নাথান আকেকে পাশ কাটিয়ে ইন্টারের আক্রমণভাগ সামনে পা বাড়লেও সিটির রক্ষাকবচ হতে পারেন তিনি।

ইনজাঘির রক্ষণ টুর্নামেন্টজুড়েই প্রশংসা কুড়িয়েছে। দলটির মূল শক্তির জায়গাও এটি। আর সেই রক্ষণভাগকেই দায়িত্ব নিয়ে সামাল দিচ্ছেন ডেঞ্জেল ডামফ্রিস। সঙ্গে ফ্রান্সেসকো অ্যাসারবিক ও ব্রোজোভিচকে তো পাচ্ছেনই। তাই সিটি ফুটবলারদের মূল লড়াইটা হবে এখানেই। হালান্ড ও গুনদোগানকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত তারা। এখন সেটিই দেখার বিষয়- এদের পাশ কাটাতে নতুন কী কৌশল নিয়ে মাঠে নামেন গার্দিওলা।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা