প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৩ ১১:৪৭ এএম
আপডেট : ২৯ মে ২০২৩ ১২:১০ পিএম
ভিনেশ ফোগত, সাক্ষী মালিক, বজরং পুনিয়াসহ আন্দোলনকারী কুস্তিগিরদের আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। কুস্তিগিরদের আন্দোলনের সঙ্গে থাকা বেশ কয়েকজন রাজনীতিককেও আটক করা হয়েছিল। পরে অবশ্য তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যন্তর মন্তরে যেখানে তাঁবু খাটিয়ে কুস্তিগিররা প্রতিবাদ করছিলেন, সেসব সরিয়ে দিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা লঙ্ঘনের জন্য তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ।
যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত রেসলিং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ ব্রিজ ভূষণ সিংকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে বিক্ষোভ করার চেষ্টা করছিলেন কুস্তিগিররা। যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবন পর্যন্ত মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় দিল্লি পুলিশ তাদের পথ আটকে দেয়। এ সময় তাদের মাঝে ধাক্কাধাক্কি হলে পুলিশ কুস্তিগিরদের গ্রেপ্তার করে।
কুস্তিগিরদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে আসা সিপিআইএম নেত্রী সুভাষিণী আলি, জগমতী সঙ্গওয়ানসহ একাধিক রাজনীতিককেও আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুসারে, নিকটবর্তী থানায়য় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের। যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবন পর্যন্ত প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সাক্ষী মালিকসহ অন্য কুস্তিগিরদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেডের ওপর দিয়ে কুস্তিগিরদের লাফ দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়। নেটিজেনের অনেকে বিষয়টিতে উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, বিরাট কোহলি, মহেন্দ্র সিং ধোনিরা যদি আন্দোলন করতেন তাহলে কি তাদের সঙ্গে এমন বর্বর আচরণ করত পুলিশ?