প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৩ ১২:০৭ পিএম
আপডেট : ০৬ মে ২০২৩ ১৩:১৭ পিএম
৩৩ বছরের অপেক্ষা অবশেষে ঘুচল। সিরি এ জয়ের উল্লাসে তাই কমতি রাখেননি নাপোলি সমর্থকরা। উদিনেসের মাঠে রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমে পড়েন হাজারো সমর্থক। উদযাপনের বাঁধ ভেঙে কেউ কেউ পাগলাটে আচরণও করেন। মাঠের মাটি তুলে নেন, কেউ কেউ খেলোয়াড়দের শর্টস ছিনিয়েও নেন। প্রতিপক্ষ সমর্থকদের ওপর আগ্রাসি আচরণও করেন নেপলসের ক্লাবটির সমর্থকরা।
উদিনেসের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে ১০ হাজারের মতো নাপোলি সমর্থক হাজির ছিলেন। ৫০ হাজারের বেশি সমর্থক আরমান্দো স্টেডিয়ামে জমায়েত হয়ে জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখেন খেলা। খেলা শেষে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয় নেপলস। রাস্তায় নেমে উচ্ছ্বসিত সমর্থকরা আতশবাজি ফোটাতে থাকেন।
রাতজুড়ে উদযাপন করেছিলেন নাপোলির সমর্থকরা
আরও পড়ুন :
নেপলসের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাতে হাসপাতালে জরুরি সেবা নিয়েছেন আহত ২০০ মানুষ। এর মধ্যে ২২ জন ‘লাল-স্তরের’ গুরুতর জখম এবং ৭৫ জন ‘হলুদ-স্তরের’ গুরুতর, কিন্তু জীবন হুমকির মুখে নয়। এদিন বন্দুকের গুলিতেও একজন নিহত হয়েছেন। তবে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গুলির ঘটনার সঙ্গে উদযাপনের সম্পর্ক ছিল না।
ইংলিশ দৈনিক দ্য সান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নাপোলির সমর্থকরা উদযাপনের মাঝে অপরাধেও জড়িয়েছিলেন। বেল্ট খুলে অন্যদের প্রহারও করছিলেন পাগলাটে সমর্থকরা। মাঠের বাইরেও ভাঙচুর চালিয়েছেন তারা। রাতজুড়ে সমর্থকরা আতশবাজি ও র্যালি করেছিলেন। নেপলসের রাস্তায়ও উগ্র উদযাপন নজরে এসেছে।
উদিনেসের বিপক্ষে নামার আগেই মঞ্চ প্রস্তুত ছিল, শুধু ছিল অপেক্ষা। সেই অপেক্ষার প্রহর খানিকটা লম্বা হয়েছিল এবারও। তবে বৃহস্পতিবার রাতে উদিনেসের বিপক্ষে ১ পয়েন্ট তুলে লুসিয়ানো স্পাল্লেত্তির শিষ্যরা ঘুচিয়ে দিয়েছেন সব সমীকরণ। প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে ১-১ গোলে ম্যাচে রেফারি যখন শেষ বাঁশিতে ফুঁ দিয়েছেন তখন লেখা হয়ে গেছে—সিরি এ চ্যাম্পিয়ন নাপোলি।