প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৩ ২০:৫৮ পিএম
আপডেট : ০৫ মে ২০২৩ ২০:৫৮ পিএম
চলতি মৌসুমে যতবারই মুক্তিযোদ্ধার মুখোমুখি হয়েছে বসুন্ধরা। হজম করেছে একটি গোল। সেই দলকে হেলার চোখে দেখার সাধ্য অন্তত ম্যাচের আগে ছিল না লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। তবে ম্যাচে বসুন্ধরা খেলেছে বসুন্ধরার মতোই। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একচেটিয়া দাপট দেখিয়েছে মুক্তিযোদ্ধার ওপর। শেষ দুই ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও করেছে গুনে গুনে চারটি, হজম করেনি একটিও।
দিনের অন্য ম্যাচে আবাহনীও করেছে চার গোল, পুলিশ এফসির বিপক্ষে জিতেছে ৪-১ ব্যবধানে; তাতে বসুন্ধরার ওপর চাপটাও ধরে রাখল কোচ মারিও লেমোসের দল। তবে শীর্ষ চারের আরেক দল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব শেষ সময়ের গোলে ড্র করেছে চট্টগ্রাম আবাহনীর সঙ্গে। ২-২ গোলের এই ড্রয়ে মোহামেডানকে টপকে শীর্ষ তিনে ফিরে এসেছে কোচ মারুফুল হকের দল।
আগের ম্যাচ থেকে এদিন একাদশে দুটো পরিবর্তন এনেছিল বসুন্ধরা। নিজেদের মাঠ বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় রবসন রবিনহো আর তপু বর্মণকে বিশ্রাম দেন কোচ অস্কার ব্রুজন। তবে তাদের ছাড়াও লিগের শীর্ষে থাকা বসুন্ধরা সমস্যার মুখে পড়েনি তেমন।
বসুন্ধরা কিংসের খেলার ধরন যেমন, বলের দখল ধরে রেখে আক্রমণে ওঠা, তেমনই খেলেছে ম্যাচে। তবে মুক্তিযোদ্ধা রক্ষণ ভাঙতে বেগ পেতে হচ্ছিল দরিয়েলতনদের। ৪২ মিনিটে অবশেষে বসুন্ধরা পায় গোলের দেখা। তাতে প্রতিপক্ষ রক্ষণের ভুল আছে বৈকি! বিশ্বনাথ ঘোষের ক্রসটা বিপদমুক্ত করতে পারেননি ডিফেন্ডাররা, বল পেয়ে মিগেল দামাসেঙ্কো শটটা প্রথমে ঠিকঠাক নিতে পারেননি, দ্বিতীয় চেষ্টায় বলটা জড়ান জালে।
বসুন্ধরা তাদের বিধ্বংসী রূপটা দেখায় দ্বিতীয়ার্ধে। ৫৩ মিনিটে দরিয়েলতনের গোলে শুরু। মিগেলের বাড়ানো থ্রু বলে দরিয়েলতন কোনো বাধা ছাড়াই ঢুকে পড়েন প্রতিপক্ষ বক্সে, গোলরক্ষককে একা পেয়ে বলটা জড়ান জালে। ব্যক্তিগত দ্বিতীয় আর দলের তৃতীয় গোলটাও তিনি করেন একইভাবে। মিগেলের বাড়ানো বলে গোলরক্ষককে একা পেয়ে করেন গোল।
৮০ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার জালে শেষ পেরেকটা ঠোকে বসুন্ধরা। সেটাও এই দরিয়েলতন আর মিগেলের নৈপুণ্যেই। এবার বল বাড়ান দরিয়েলতন, আর গোলটা করেন মিগেল। তাতেই টানা তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে চার গোলের মালা পরায় বসুন্ধরা কিংস।