প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৩ ১৭:১৭ পিএম
আপডেট : ০৩ মে ২০২৩ ১৭:২০ পিএম
‘সাংবাদিকদের বাপের জুতা পরা ছবি নিয়ে ফুটবল ফেডারেশনে আসতে হবে’- বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের এমন মন্তব্যের জেরে ক্ষোভে ফুঁসছেন অনেকেই। এবার সেই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে সালাউদ্দিনের পদত্যাগ দাবি করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শহীদ উল আলম ও মহাসচিব দীপ আজাদ।
বিএফইউজের দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে অবিলম্বে সালাউদ্দিনের পদত্যাগ দাবি করা হয়। অন্যথায় সারাদেশের ফুটবল সংগঠকদের নিয়ে সালাউদ্দিনকে বাফুফে থেকে অপসারণে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয় ওই বিবৃতিতে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের ফুটবল সংস্থার শীর্ষ পদে থেকে এ ধরণের বক্তব্য কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু সাংবাদিক সমাজ নয়, তাদের পরিবারকে জড়িয়ে এই বক্তব্য দেওয়ার পর বাফুফে সভাপতির মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দেশবাসী সন্দিহান হয়ে পড়েছে।
এছাড়াও বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সালাউদ্দিন দায়িত্ব পালনকালে দেশের জনপ্রিয় এই খেলার মান প্রতিনিয়ত নিম্নগামী হয়েছে। র্যাংকিং এ বাংলাদেশের অবস্থান প্রায় সবার নিচে। যার কারণ হিসেবে বিএফইউজ জানিয়েছে, অনিয়ম দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাফুফে। যার সাম্প্রতিক প্রমাণ ফিফার নিষেধাজ্ঞা। বিভিন্ন সময়ে এসব খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় তিনি সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত। যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তার সবশেষ মন্তব্যে। কাজেই, দেশ ও দেশের বাইরে ফুটবলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার পর বাফুফের সভাপতি পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন, এমনটাই মনে করে বিএফইউজে।
এর আগে অনিয়মের দায়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ নিষিদ্ধ হন গত ১৪ এপ্রিল। এর দুদিন পর বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন এ বিষয়ে আরও তদন্তের জন্য বেঁধে দেন ১০ জনের এক কমিটি, যাদের অধিকাংশই আবার আছেন বাফুফের বর্তমান কমিটিতে। এই তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষ হতে পারত কি না, এমন একটা প্রশ্ন উঠে আসছিল তখনই।