প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৩ ১৫:৩০ পিএম
আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৩ ১৫:৩০ পিএম
দলীয় ১২৪ রানের সময় ওহাজের বলে মারতে গিয়ে ৫৬ রানে সাজঘরের পথ ধরতে হয় দারুণ খেলতে থাকা জীবনকে। সেই সঙ্গে শেষ হয় বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের আশাও। আউট হওয়ার আগে ১১০ বল মোকাবেলা করেছেন তিনি। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ ইনিংস। জীবনের আউটের পর বাকিরাও আর টানতে পারেননি। থামতে হয়েছে দেড়শর আগেই। আল আউট হওয়ার আগে ৫৮.৫ ওভার ব্যাট করেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে ১৬ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৯ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন আমির।
চট্টগ্রামে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে চার দিনের ম্যাচে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। দলীয় ১০ রানেই ফিরতে হয়েছে চার ব্যাটারকে। এরমধ্যেই তিন জনই ফিরেছেন কোনো রান না করে। পরে ২১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর জীবনকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাংলাদেশ যুবা অধিনায়ক শাহরিয়ার সাকিব। মধ্যাহ্নভোজের আগে আর কোনো আঘাত আসতে দেননি তারা। স্কোরবোর্ডে জমা করেন ৭০ রান।
বিরতি থেকে ফিরেও ভালো শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। ঝুঁকি ছাড়ায় দলীয় শত রান পূর্ণ করেছিল যুবারা। একটা সময় দারুণ ব্যাট করছিলেন শাহরিয়ার ও জীবন। দেখে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশকে বিপদ মুক্ত করে স্কোরবোর্ডে শক্ত ভিত গড়ে দিয়ে যাবেন তারা। যদিও শেষ পর্যন্ত হয়নি সেটি। ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশকে টেনে তুলে হাফ সেঞ্চুরি করার আগেই ব্যক্তিগত ৪৮ রানে ফিরতে হয়েছে শাহরিয়ারকে। ব্যক্তিগত ৯৭ বলে ৪৮ রান করে আমিরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলেদেন তিনি।
এরপর দ্রুতই উইকেট পড়তে থাকে। খানিক পর ৫৬ রানে ফিরে যান জীবনও। শঙ্কা ঝেঁকেছিল ১৫০ রান পার করা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে দেড়শ পার করতে লড়াই করেছিলেন সিদ্দিক। শেষ পর্যন্ত পারেননি তিনি। সতীর্থ ব্যাটার একান্ত ৬ রানে ফিরলে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৪৯ রানে। সিদ্দিক অপরাজিত থাকেন ১৮ রানে।