প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:০৪ পিএম
আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:৩৫ পিএম
আইপিএলে আজ রাত ৮টায় দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দুই দলে দুই বাংলাদেশি থাকায় ম্যাচটি ঘিরে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে বাংলাদেশি ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যে। এ ম্যাচে আইপিএলে অভিষেক হতে পারে বাংলাদেশের ওপেনার লিটন কুমার দাসের। অন্যদিকে টানা হারতে থাকা দিল্লির একাদশে ফিরতে পারেন মুস্তাফিজও।
এখন পর্যন্ত কলকাতার খেলা সব ম্যাচেই একাদশে ছিলেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। তবে টানা সুযোগ পেলেও হাসছে না তার ব্যাট। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আইপিএলে অভিষেক হতে পারে লিটন দাসের। গুরবাজের বিকল্প হিসেবে একাদশে সুযোগ মিলতে পারে এই বাংলাদেশি ওপেনারের।
কলকাতা এখন পর্যন্ত আসরে ম্যাচ খেলেছে পাঁচটি। যেখানে পাঁচজন বিদেশি ক্রিকেটারকে খেলিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তাদের মধ্যে একজন ওপেনার, দুজন অলরাউন্ডার আর বাকি দুজন পেসার। এ পাঁচজন ছাড়াও জেসন রয় ও লিটন দাসকে একাদশের ভাবনায় রাখতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। সব মিলিয়ে বিদেশিদের মধ্যে প্রথম সারির এই সাতজনের মধ্যেই একাদশের লড়াইটা হবে।
তবে একাদশে জায়গা পেতে লিটনের লড়াইটা মূলত রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও জেসন রয়ের সঙ্গে। গুরবাজ ইতোমধ্যে আসরে পাঁচ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। যেখানে প্রায় ২০ গড়ে তার মোট সংগ্রহ ১০২ রান। আর সর্বশেষ তিন ম্যাচের দিকে তাকালে তার বাজে ফর্মের চিত্রটা আরও পরিষ্কার হবে। তার সর্বশেষ ইনিংসগুলো হচ্ছে যথাক্রমে ৮, ০ ও ১৫ রান। এমন পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে একাদশে গুরবাজের জায়গা কতটা নড়বড়ে হয়ে গেছে।
একাদশে জায়গা পেতে লিটনের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী রয়। আইপিএলে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলা রয় এখন পর্যন্ত খেলেছেন মাত্র ১৩ ম্যাচ। ২৯.৯১ গড় ও ১২৯.০২ স্ট্রাইকরেটে রান করেছেন ৩২৯।
অন্যদিকে মুস্তাফিজ ফিরতে পারেন দিল্লির একাদশে। ক্যাপিটালস প্রথমে ব্যাট করলে তিনজন বিদেশি খেলোয়াড়ের পর ইমপ্যাক্ট অদলবদলের জন্য পৃথ্বীশ ও মুস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়কে ব্যবহার করতে পারে দিল্লি।
এবারের আসরে মুস্তাফিজ প্রথমবার মাঠে নামেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৮ রান খরচ করে ১ উইকেট শিকার করেছিলেন। তবে তার বোলিংয়ের আসল চিত্রটা পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝানো সম্ভব নয়। কারণ মুম্বাইয়ের ইনিংসের ১৯তম ওভারে তার ওপর ভরসা রেখেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। কিন্তু সেই ওভারে ২ ছক্কা হজম করে দলকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন এই পেসার।
এর পরের ম্যাচে তার পারফরম্যান্সের পারদ আরও নিচে নেমেছে। খরুচে বোলিংয়ের কারণে তাকে কোটার ৪ ওভার বোলিং করাননি ওয়ার্নার। বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ৩ ওভারে ৪১ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।