প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৩ ০০:১৫ এএম
আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২৩ ০০:২৫ এএম
চট্টগ্রামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন, ‘ওদেরকে নিলেও ঠিক মতো খেলাবে না।’কথাটি এসেছিল লিটন দাস ও মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল খেলা নিয়ে। বিসিবি সভাপতির ওই কথা সত্যই হয়েছে। আইপিএলে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছেন না তারা। বিসিবি সভাপতিও নিয়মিত আইপিএল দেখছেন না। কলকাতা নাইট রাইডার্স ও দিল্লি ক্যাপিটালসের একাদশে লিটন দাস ও মুস্তাফিজুর রহমান থাকলে তবেই আইপিএল দেখেন, নইলে টিভির সামনে থেকে উঠে যান।
আরও পড়ুন : সৌরভকে এখন আর ফলো করেন না কোহলি
গতকাল মিরপুরে পবিত্র রমজান উপলক্ষে অসহায় মানুষের জন্য খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বিসিবি। ওই কার্যক্রম শুরুর পর বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানেই জানান, আইপিএলের ম্যাচ দেখার আগে একাদশ দেখে নেন। একাদশে বাংলাদেশিরা সুযোগ পেলে তবেই সেই ম্যাচ দেখার চেষ্টা করেন।
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আইপিএলের খেলা খুব একটা দেখা হচ্ছে না। দেখি না যে তা না। কেকেআরের খেলা থাকলে দেখি (লিটন) একাদশে আছে কি না। দিল্লির খেলা থাকলেও দেখি (মুস্তাফিজ) একাদশে আছে কি না। খেলার সময়টা তারাবির সময়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তারপরও দেখি (তারা) আছে কি না, থাকলে দেখার চেষ্টা করি।’
আইপিএলের একাদশে লিটন-মুস্তাফিজদের নিয়মিত দেখা যাবে না এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বিসিবি সভাপতি। আইপিএলে সেটাই ঘটছে। নিজের ওই ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে পাপন বলেন, ‘(লিটন-মুস্তাফিজদের খেলাবে না) তেমন কোনো সন্দেহ আমার ছিল না কখনও। জানে সবাই, ওরাও জানে। এটা অজানা কিছু না। যারা গেছে তারাও জানে (খেলাবে না)।’
একই সংবাদ সম্মেলনে উঠে এসেছিল বাফুফের দুর্নীতিকাণ্ডের কথা। সেটা নিয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন বিসিবি সভাপতি। শুধু বললেন, ‘নো কমেন্টস। ক্রিকেটের বাইরে কোনো কিছুতেই আগ্রহ নেই।’ ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও বাফুফে কী করে সেটা দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি, ‘আমি নিশ্চিত ফেডারেশনে যারা আছে এবং আমাদের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এটা দেখছে। এখনই এটা নিয়ে মন্তব্য করা দ্রুত হয়ে যায়। দেখি আগে কী করে। এটা নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো কথাই বলতে চাই না।’
গতকালের খাদ্যসামগ্রী বিতরণী নিয়ে বিসিবি সভাপতির ভাষ্য, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই সময় ইফতার পার্টি করে লাখ লাখ টাকা খরচ না করে এটা যদি গরিবদের মাঝে বিতরণ করা যায়, তাহলে সেটা আরও ভালো হয়। আমাদেরও মূল উদ্দেশ্য সেটাই। প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশক্রমে আমরা আজকে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু করেছি।’
শুধু বিসিবিতে নয় বস্তি ও অন্যান্য জায়গাতেও মোটে ৬ হাজার মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করছে বিসিবি। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বস্তি ও মাদ্রাসায় এসব খাবার বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।