খেলাধুলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২২:৪৬ পিএম
আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১৯:১১ পিএম
এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেশ বিপাকেই রয়েছে পাকিস্তান। টানা দুই বলে দলটি হারিয়েছে দুই উইকেট। এরমধ্যে অধিনায়ক বাবর আজম সাজঘরে ফিরেছেন ৫ রান আর ফখর জামান ফিরেছেন শূন্য রানে।
পুরো সিরিজ জুড়েই ব্যটিং ব্যর্থতায় কেটেছে পাক দলপতি বাবর আজমের।
রান তাড়া করতে গিয়ে বেশ দেখেশুনে শুরু করে পাকিস্তান। প্রথম ৩ ওভারে তোলে ২০ রান। এর পরের ওভারেই আসে বিপদ।
প্রমথ মধুশান নিজের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে তুলে নেন বাবরকে। ফাইন লেগ বাউন্ডারি দিয়ে বল পাঠাতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে মধুশঙ্কার দুর্দান্ত ক্যাচ হন পাকিস্তান অধিনায়ক। পরের বলটি উইকেটে টেনে বোল্ড হন ফখর জামান।
২২ রানেই ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৭.২ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৪৯।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে শ্রীলঙ্কা। লড়াকু এই সংগ্রহ পেতে বড় ভূমিকা রেখেছে ভানুকা রাজাপাকসে। ৪৫ বল খেলে তিনি করেছেন ৭১ রান।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। প্রথম ওভারটি করেন নাসিম শাহ। ওভারের তৃতীয় বলেই কুশল মেন্ডিসের স্টাম্প উড়িয়ে দেন পাকিস্তানের ডানহাতি এই পেসার।
নাসিমের ১৪২ কিলোমিটার গতির বলটি যেন বুঝতেই পারেননি কুশল। ডিফেন্ড করার আগেই উড়ে যায় তার অফস্টাম্প। গোল্ডেন ডাকে ফেরেন লঙ্কান ওপেনার। দলীয় ২ রানে প্রথম উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা।
এরপর পাথুম নিশাঙ্কা আর ধনঞ্জয়া ডি সিলভা কিছুটা সময় দলকে স্বস্তি দিয়েছিলেন। কিন্তু চতুর্থ ওভারে বল হাতে নিয়েই ১৭ বলে তাদের ২১ রানের জুটি ভাঙেন হারিস রউফ।
মিডঅফে ক্যাচ তুলে দেন নিশাঙ্কা (১১ বলে ৮)। বাবর আজম দৌড়ের মধ্যেই নেন দুর্দান্ত এক ক্যাচ। এরপর দানুসকা গুনাথিলাকা ফেরেন হারিস রউফের বলে (৪ বলে ১)।
ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে প্রথম বলে ১৫১ কিলোমিটার গতির এক বলে লঙ্কান ব্যাটারের স্টাম্প উড়িয়ে দেন ডানহাতি এই পেসার।সপ্তম ওভারে চমক জাগিয়ে ইফতিখার আহমেদের হাতে বল তুলে দেন বাবর আজম। পার্টটাইমার এই অফস্পিনার প্রথম ওভারেই উইকেট এনে দেন দলকে। ধনঞ্জয়া ডি সিলভা তার ফিরতি ক্যাচ হয়ে ফেরেন ২১ বলে ২৮ রান করে।
পরের ওভারে উইকেট শিকারের উৎসবে যোগ দেন শাদাব খানও। লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা (৩ বলে ২) তাকে ক্রস খেলতে গিয়ে লাইন মিস করে হন বোল্ড। ৫৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে শ্রীলঙ্কা।
সেখান থেকে ভানুকা রাজাপাকসে আর ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় লঙ্কানরা। ৫৮ রান ওঠার পরই এই জুটিতে ভাঙেন হারিস রউফ। ২১ বলে ৩৬ রান করে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন করুনারত্নে।
পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ টি উইকেট নেন হারিস রউফ। একটি করে উইকেট নেন নাসিম শাহ, শাহদাব খান এবং ইফতেখার আহমেদ।
প্রবা/আরএম/