প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২৩ ১৭:১২ পিএম
আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৩ ১৭:৫৬ পিএম
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর দ্বৈরথে মুখোমুখি আবাহনী ও মোহামেডান। দর্শক গ্যালারিতে উত্তাপ নেই। এর মাঝেও আবাহনীর গুটিকয়েক দর্শকের উপস্থিতি ছিল। প্রতিপক্ষ মোহামেডানের কোনো দর্শকের উপস্থিতিই পাওয়া যায়নি ঢাকার ক্রিকেটের এই দ্বৈরথে। দর্শক-সমর্থনহীন মোহামেডান মাঠেও লড়াই করতে পারেনি। আবাহনীর জার্সিতে এবারের আসরের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের একরকম একাই হারিয়ে দেন নাঈম শেখ। সেঞ্চুরি করে ১১০ রানে অপরাজিত ছিলেন এই ওপেনার। তার দল জেতে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে মোহামেডান। উদ্বোধনী জুটিতে ১৩৭ রান তুলে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিল। ইমরুল ৬৮ রানে আউট হলে ভাঙে জুটি। পরে সৌম্য সরকার-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দেন। ১৫০ রান তুলতেই চার উইকেট হারায়। পরে ৪৫ রানের জুটি গড়ে মোহামেডানকে একটু স্বস্তি এনে দেন অনুস্টুপ মজুমদার ও আরিফুল হক। ভারতীয় অনুস্টুপ ৩০ রান করে ফিরলে আবারও ধস নামে মোহামেডানের ইনিংসে। এক প্রান্ত আগলে রেখে ৩৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ২৩৫ রানের সম্মানজনক স্কোর এনে দেন আরিফুল হক। আবাহনীর হয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নেন ৪৫ রানে ৪ উইকেট। এ ছাড়াও দুটি করে উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব ও তানভীর ইসলাম।
জবাবে আবাহনী শুরুতেই এনামুল হক বিজয়কে হারায়। ফিল্ডিং করার সময় ইনজুরিতে পড়লেও ব্যাটিংয়ে নামেন। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। মাত্র ১৭ রানে ফেরেন। বিজয় ফিরলেও নাঈম শেখ একপ্রান্ত আগলে রেখে লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের ৭ম সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৮৩ বলে খেলেন ১১০ রানের ইনিংস। মূলত নাঈমের ওই ইনিংসই আবাহনীর জয় নিশ্চিত করে দেয়। নাঈম ছাড়া মাহমুদুল হাসান জয় ২৪, আফিফ হোসেন ৪৯ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাটে আসে ২৫ রান। মোহামেডানের হয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, রুয়েল মিয়া, এনামুল হক জুনিয়র ও সৌম্য সরকার একটি করে উইকেট নেন। সেঞ্চুরি করা নাঈম নির্বাচিত হন ম্যাচসেরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
মোহামেডান- ২৩৫/৮ ( অঙ্কন ৭০, ইমরুল ৬৮, সাইফউদ্দিন ৪/৪৫)
আবাহনী- ২৩৬/৪ (নাঈম ১১০, আফিফ ৪৯, সৌম্য ১/২৩)