প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৩:২২ পিএম
টানা তিন ম্যাচ হেরে বিপিএল শুরু করা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স হারের বৃত্ত ভাঙার পর জিতেছে টানা ১০ ম্যাচ। ফাইনালে উঠে এখন লক্ষ্য চতুর্থ শিরোপা জয়ের। টানা ম্যাচ জেতায় ফাইনালে উঠে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছে। টানা তিন ম্যাচ হেরেও মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়েনি দলটি। পেছনে না পড়লেও শুরুটা টুর্নামেন্টের সূচনাতে হওয়ায় দুশ্চিন্তা ঠিকই কাজ করেছে কুমিল্লা শিবিরে। প্রতিদিনের বাংলাদেশের সঙ্গে দলের সাফল্যের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই কথা বলেন দলটির কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
টানা তিন ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কোচ শুরুতেই জানান দল কখনই মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়েনি। সালাউদ্দিন জানান, বিপিএলের মতো টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচ হারা স্বাভাবিক। তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের মানসিকতা কখনই খারাপ হয়নি। কারণ এই ধরনের টুর্নামেন্টে আপনি তিনটা ম্যাচ হারতেই পারেন। তবে একটা টুর্নামেন্টে প্রথম তিন ম্যাচ হারলে টুর্নামেন্টজুড়ে চাপের মুখে থাকবেন। এটাই দুশ্চিন্তার বিষয়। আমার মনে হয় এত বড় টুর্নামেন্টে আপনি ম্যাচ হারতেই পারেন।’
আরও পড়ুন:আইপিএলে আরসিবির পরামর্শক সানিয়া
আরও পড়ুন: অনিয়ন্ত্রিত মেজাজ, ফের জরিমানা গুনলেন শান্ত
প্রথমে তিন ম্যাচ হারা কুমিল্লার জন্য ভালো ছিল। শুরুতে দলের কম্বিনেশন ঠিক করতে না পারায় হেরেছিল কুমিল্লা। ভুল শুধরে বদলে গেছে তারা। সেটাই মত সালাউদ্দিনের, ‘প্রথমে হারায় আমাদের ভুলগুলো তাড়াতাড়ি শুধরে নিতে পারছি। এটাই আমাদের জন্য ভালো দিক। প্রথম দিকে টিম সেটআপে আমাদের একটু সমস্যা হইছিল। যখন সেটআপ হয়ে গেছে তখন থেকে আর সমস্যা হয়নি।’
বিপিএল যত গড়িয়েছে টুর্নামেন্টে বিদেশি ক্রিকেটার বদলের ঘটনা ততই বেড়েছে। বিষয়টি দলগুলোর কম্বিনেশন তৈরি করতে সমস্যা হলেও কুমিল্লার ক্ষেত্রে তা বিপরীত। আগেই পরিকল্পনা করে বিদেশি ক্রিকেটার নিয়ে আসায় সেই সমস্যার মুখে পড়তে হয়নি। ‘আমাদের এই রকম ছিল, দুই ম্যাচ পর নতুন আরেকজন বিদেশি আসবে। চলে যাবে-আসবে, এমন ভাবনা আগে থেকেই ছিল। কম্বিনেশন করাটা প্রথম দিকে কঠিন হয়। সিজনের শুরুতেই আমরা সবকিছু ঠিক করে রেখেছিলাম। কে আসবে আর কে থাকবে।’ টুর্নামেন্টের শুরুতে কম্বিনেশন ঠিক থাকলেও ঠিকমতো পারফর্ম করতে না পারার কারণ হিসেবে সালাউদ্দিনের ভাষ্য, ‘কম্বিনেশন প্রথমেই ঠিক ছিল কিন্তু সিজনের শুরু ছিল বলেই মনে হয় পারফর্ম করতে পারেনি।’
প্লে অফ কিংবা ফাইনালে উঠলে বিদেশি ক্রিকেটার কারা হবে সেটাও আগেই পরিকল্পনা করে রেখেছিল কুমিল্লা। তাই অন্যদের মতো টুর্নামেন্টের শেষের দিকে বড় নামের বিদেশি ভেড়াতে কখনই মরিয়া ছিল না। ‘প্লে অফ ও ফাইনালে কারা খেলবে সেটা আগেই ঠিক করা ছিল। শেষদিকে তাই নতুন প্লেয়ার আনার জন্য মরিয়া হইনি। একদম প্রথম থেকেই সব কম্বিনেশন ঠিক করা।’
ফাইনালের আগে এক দিন বাকি থাকলেও ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে নারাজ সালাউদ্দিন। ম্যাচের আগে পরিকল্পনা করা হবে বলে জানান তিনি। সালাউদ্দিন বলেন, ‘ফাইনাল নিয়ে খুব বেশি চিন্তাভাবনা করছি না। প্রতিপক্ষ দেখে তবে পরিকল্পনা শুরু করব।’