প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১০:২৯ এএম
ইউরোপিয়ান ফুটবলে একগাদা ট্রফি ও রেকর্ডের মালিক পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় এসে নিলেন নতুন চ্যালেঞ্জ। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে এশিয়া মাতাবেন তিনি। তবে হচ্ছে আর কই। তার স্পর্শে বদলে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা আল নাসর এখন ধুঁকছে। বিপরীতে রোনালদোর পেছনে ক্লাবটির বছরে গুনতে হচ্ছে রেকর্ড ২১ কোটি ডলার।
তখনও রোনালদোর অভিষেক হয়নি সৌদিতে ক্লাব জার্সি গায়ে। সৌদি প্রো লিগে ৫ পয়েন্ট এগিয়ে শীর্ষে তার দল। এরপর রোনালদো খেলেছেন তিনটি ম্যাচ। তবে পয়েন্ট টেবিল দেখে তা বোঝার উপায় নেই। দুই ও তিন নম্বরে থাকা আল শাবাব, আল ইত্তিহাদের সঙ্গে সমান ৩৪ পয়েন্ট এখন তাদেরও। রোনালদোর দল এগিয়ে শুধুই গোল-পার্থক্যে। তবে সবচেয়ে মন্দ দিকটি ঘটেছে সৌদি সুপার কাপের সেমিফাইনালে। যেখানে আল ইত্তিহাদের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। ৩-১ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। এজন্য অবশ্য কম সমালোচনাও শোনতে হয়নি সিআর সেভেনকে।
ম্যাচে বেশ কিছু সহজ সুযোগ মিস করায় রোনালদোর ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেছেন কোচ রুডি গার্সিয়া। রোনালদোর প্রতি খুশি নন তার সতীর্থ লুইজ গুস্তাভোও। কেননা, সবশেষ তিন ম্যাচে রোনালদোর গোল মোটে একটি। সেটিও আবার পেনাল্টি থেকে। এক সময় বায়ার্ন মিউনিখে খেলা গুস্তাভো রীতিমতো বোমা ফাটিয়েছেন রোনালদোকে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘রোনালদোর কারণে প্রতিপক্ষ দলগুলো আরও উজ্জীবিত হয়ে খেলতে নামছে। তারা আমাদের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে সেরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে। মাঠে ২০০% উজাড় করে দিচ্ছে। এটা আমাদের ম্যাচগুলো আরও কঠিন করে তুলছে।’
পরে অবশ্য সুর পাল্টেছেন তিনি। রোনালদোকে প্রশংসায় ভাসিয়ে গুস্তাভো বলেন, ‘তার জন্মই হয়েছে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য। সব সময় সাফল্যও পেয়ে এসেছে। সে দলের জন্য কী করতে যাচ্ছে, সবাই তা দেখার অপেক্ষায় থাকে। ওর প্রথম গোল আমার ওপর থেকে চাপ কমিয়েছে। কৌশলগত দিক হোক কিংবা শারীরিক—আমরা প্রতিদিন ওর কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখি।’