প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩ ২১:৫২ পিএম
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩ ২১:৫৬ পিএম
হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে বোলারদের ব্যর্থতার পর ব্যাটিংয়েও ঠিকঠাক লড়াই জমাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। চার সেঞ্চুরির রানবন্যার ম্যাচে বড় জয় তুলেছে ভারত, সফরকারীদের দিয়েছে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা। রোহিত শর্মা ও শুভমন গিলের সেঞ্চুরিতে ৩৮৬ রানের লক্ষ্যে ডেভন কনওয়ের সেঞ্চুরিও যথেষ্ট ছিল না। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ ব্লাক ক্যাপসরা থেমেছে ২৯৫ রানে, হেরেছে ৯০ রানের বড় ব্যবধানে।
ইন্দোরের হলকার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে ভারতের দুই ওপেনারের তোপের মুখে পড়ে টম ল্যাথামের দল। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা রোহিত এদিন খেলেন শতরানের ইনিংস। শ্রীলঙ্কার সিরিজে দ্বিশতক হাঁকানো গিলও পেয়েছেন তিন অঙ্কের দেখা। ওপেনিং জুটিতে দুজনে আনেন ২১২ রান।
৮৫ বলে ৯ বাউন্ডারি ৬ ছক্কায় ১০১ রান আনেন রোহিত। ৭৮ বলে ৫ ছক্কা ও ১৩ চারে ১১২ রান করেন গিল। দুই ওপেনার ফেরার পর বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদবরা বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। টিকতে পারেননি ঈশান কিষানও। মাঝের দিকে খেই হারানো ভারতকে পথ দেখান হার্দিক পান্ডিয়া। ৩৮ বলে ৫৪ রানের ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩৮৫ রান জমা করে ভারত।
জবাবে ইনিংসের প্রথম ওভারে ওপেনার ফিন অ্যালেনকে হারালেও পরের জুটিতে শতরান আনেন কনওয়ে ও হেনরি নিকোলাস। ৪০ বলে ৪২ রান আনা নিকোলাসের ইনিংসটিই শেষ পর্যন্ত কিউইদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর হয়ে থাকে। ১০০ বলে ১২ বাউন্ডারি ও আট ছক্কায় ১৩৮ রান আনেন কনওয়ে।
চারে নামা ড্যারিল মিচেল আনেন ২৪ রান, অধিনায়ক ল্যাথাম ও গ্লেন ফিলিপস হন ব্যর্থ। মাঝের দিকে ব্রাসওয়েলের ২৬ ও মিচেল স্যান্টনারের ৩৪ রানে হারের ব্যবধান কমায় কিউইরা। ভারতের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর ও কুলদীপ যাদব।
আগামী শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। একদিন পর ২৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় ও শেষ কুড়ি ওভারের খেলা ফেব্রুয়ারির এক তারিখ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ৩৯৫/৯; রোহিত শর্মা ১০১, শুভমন গিল ১১২, হার্দিক পাণ্ডিয়া ৫৪; জ্যাকব ড্যাফি ১০০/৩, ব্লায়ার টিকনার ৭৬/৩
নিউজিল্যান্ড: ২৯৫/১০; ডেভন কনওয়ে ১৩৮, হেনরি নিকোলাস ৪২, মিচেল স্যান্টনার ৩৪; শার্দুল ঠাকুর ৪৫/৩, কুলদীপ যাদব ৬২/৩;
ফল: ভারত ৯০ রানে জয়ী (তিন ম্যাচের সিরিজের ফল—ভারত ৩:০ নিউজিল্যান্ড)