× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মুকুল ২০০ নকআউট!

বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:৫৫ এএম

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১২:০৩ পিএম

আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল।

আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল।

বাস্তববাদী মানুষ তিনি! জানেন কাজটা থ্যাঙ্কলেস, তাই এতসব কিছু ভাবতে নারাজ। নিজের কাজটা সততা নিয়ে করতেই ভালোবাসেন মাসুদুর রহমান মুকুল। হতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটার। হয়েছেনও। তবে জাতীয় দলে না খেলতে পারার আক্ষেপটা তো আছেই। সেই আক্ষেপ এখন উবে গেছে নতুন ভূমিকায়। সাকিব আল হাসান-তামিম ইকবালদের মতো তিনিও আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিনিধি।

গত এশিয়া কাপ ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ পরিচালনাতেও দেখা গেছে আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুলকে। ১৯৭৫ সালের ১৩ এপ্রিল জন্ম নেওয়া মুকুল এখন ব্যস্ত আম্পায়ার। আইসিসির প্যানেলেও আছেন। ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক, এই কয়েক বছরেই উঠেছেন অনন্য উচ্চতায়।

সেই আলোচিত আম্পায়ার মুকুল মুখোমুখি দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর। যেখানে অকপটে বলেছেন নানা কথা। তার সেই একান্ত সাক্ষাৎকারের চুম্বকাংশ তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য।

প্রশ্ন : আপনার বর্ণাঢ্য একটি ক্যারিয়ার। শেষ এক বছর দারুণ কাটছে। যেহেতু এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে ছিলেন। আপনার পুরো জার্নিটা কেমন ছিল?

মাসুদুর রহমান মুকুল : জার্নির শুরু হয়েছে আসলে ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকেই। যখন আমি খেলোয়াড় ছিলাম, আসলে সবার স্বপ্ন থাকে জাতীয় দলের হয়ে খেলব। উনিশ বছরের ক্যারিয়ারে কখনও খেলা হয়নি। তাই স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের কোনো একটি লোগো বহন করার। আমি যখন খেলা ছেড়ে দিলাম তার আগে অনেককে দেখলাম কোচিংয়ের লাইনে যাচ্ছিলেন। তখন মনে হয় না আম্পায়ারিংয়ে আসি। আসার পেছনে আরেকটা কারণ ছিল মরহুম জিয়াউল হক মাসুদ ভাই। তিনি আমাকে এনেছেন। 

তখন ওই সময় আম্পায়ারিংয়ে সৈকত, মনির ও নাবিদ নেওয়াজরা খুব ভালো করছিলেন। অনেক আম্পায়ারের মাঝে এই তিনজন খুব ফোকাসড ছিলেন। তখনই আম্পায়ারিংয়ে আসা। খেলোয়াড় হিসেবে থাকা স্বপ্নটা আম্পায়ার হিসেবে লালন করছিলাম। ২০১৭ সালে আইসিসির প্যানেলে ঢুকলাম। এরপর আস্তে আস্তে এখানে আসা। আসলে কোভিড আমাদের খুব হেল্প করেছে। ওই সময় বিদেশি আম্পায়াররা আসত না, তখন নিজেদের আম্পায়ার দিয়ে ম্যাচ পরিচালনা হতো। তখন পারফরম্যান্স আইসিসির চোখে পড়েছে। সেটাই আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে। এশিয়া কাপ আমার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। 

প্রশ্ন : পথ চলতে গিয়েই ২০০ ম্যাচে আম্পায়ারিং হয়ে গেল...

মুকুল : ২০০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ব্যাপারটি আসলে জানতাম না। ক্রিকইনফোতে ডাটা চেক করতে গিয়ে দেখি আমার একটা অ্যাচিভমেন্ট যোগ হতে যাচ্ছে। লিস্ট ‘এ’ যে টি- টোয়েন্টি ম্যাচ সেখানে ছিল ১৯৮, চট্টগ্রামে যাওয়ার আগে। তখন আমি রেকর্ডটির ব্যাপারে জানতে পেরেছি। এমনকি এর আগে ধারণাও ছিল না কতগুলো ম্যাচ পরিচালনা করেছি। এখন আমার স্বপ্ন সংখ্যাটা কত ওপরে নিয়ে যাওয়া যায়Ñ এর বাইরে আর কোনো স্বপ্ন নেই।

প্রশ্ন : ক্রিকেটাররা ম্যাচ খেলার আগে অনুশীলন করেন আর আপনারা আম্পায়ার হিসেবে নামার আগে নিজেদের কীভাবে প্রস্তুত করেন?

মুকুল : একজন টপ লেভেলের খেলোয়াড় বা আপনারা যেমন নিউজ করার আগে কিছু কাজ করেন বা অনুশীলন সারেন, তেমনি আমরাও বেশ কিছু প্রস্তুতি নেই। আমাদের প্রিপারেশনটা খুব জরুরি। প্রস্তুতিটা যত ভালো হবে মাঠে ফিজিক্যালি এবং মেন্টালি নিজেদের সেরাটা দিতে পারব। ভুলের সংখ্যাও কম হবে।

ডিসিশন মেকিংটা সবার আগে আসে। তবে ছোট ছোট জিনিস, ধরুন মোস্তাফিজ বল করবেÑ সেক্ষেত্রে আমরা কোথায় দাঁড়াব, বোলার শেখ মাহেদি হলে যেমন সামনে চলে আসব, ওর ক্ষেত্রে পেছনে চলে যাব। কোথায় দাঁড়ালে বোলারের ব্লকটায় নজর রাখতে পারব। তারপর নো বলের ক্ষেত্রে কীভাবে পা চেক করব, ব্যাটার কোন শটটা করতে পারে বা সাকিব বল কীভাবে করতে পারেÑ সবকিছু প্লান করতে হয়। ফিজিক্যালের পাশাপাশি মেন্টাল ফিটনেসও জরুরি। খেলার আগে এমন জিনিস এড়িয়ে চলা হয় যা আম্পায়ারিংয়ে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। দুটো বিষয়েই পুরো ফিট থাকতে হয়। দুটোর কোনোটিতে ঘাটতি থাকলে ম্যাচে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

প্রশ্ন : যখন ম্যাচ থাকে না তখন সাধারণত খেলোয়াড়রা অনুশীলনে সময় কাটায়। আমি জানতে চাচ্ছি ওই সময় আপনারা কী করেন?

মুকুল : আমি কী করি সেটা বলি, সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন প্রায় এক ঘণ্টা করে দৌড়াই। সেটা হতে পারে ফুটবল খেলে অথবা অন্যভাবে। খেলা না থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুয়েক মাস জিমে কাটাই, কুইক রেসপন্সটা যেন বাড়ে। আসলে অন সিজনে ফুটবল খেলে এবং অফ সিজনে জিম করে ফিটনেস ধরে রাখি। তবে যখন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলি তখন জিম বা সুইমিং পুল ব্যবহারের অনুমতি পেলে ম্যাচের আগে বা পরে চেষ্টা করি জিমে সময় দেওয়ার এবং সাঁতার কাটার।

প্রশ্ন : অন্য সব পেশার মতো আম্পায়ারিংও প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে। আপনারা সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে এই আপডেটগুলো কীভাবে মেইনটেন করেন অথবা কোথা থেকে শিক্ষা নেন?

মুকুল : যেটা হয়, আমাদের সব সময় পড়াশোনার মাঝে থাকতে হয়। আইসিসির যে কোচ আছে, প্রতিটা দেশে একেকজন করে কোচ থাকে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের দায়িত্বে আছেন পিটার মেনন। তিনি প্রতি সপ্তাহে বেশ কিছু প্রশ্ন আমাদের কাছে পাঠান এবং সেটির উত্তর তাকে পাঠাতে হয়। গত দুই বছর ধরে এমনভাবে চলছে। প্রতি সপ্তাহে আমাদের এসব কিছু বিষয়ের ওপর প্রশ্ন আসে যা থেকে উত্তর দিতে হয়। সব সময় চাপে থাকতে হয়। দেশে যে চারজন আছি তারা চেষ্টা করি বিষয়গুলো তরুণ আম্পায়ারদের মাঝে শেয়ার করার। তো এমন কিছু বিষয় থাকে যা নিজেও বুঝি না, তখন আইসিসি কোচের কাছে অথবা দেশীয় কোচদের কাছ থেকে জেনে নেই। মোদ্দাকথা, ডাক্তার বা অন্য পেশাজীবীর মতো আমরাও পড়াশোনার মাঝে থাকি।

প্রশ্ন : আপনি যেহেতু অনেকদিন ধরেই আছেন, আপনার কাছে কি মনে হয় আমাদের দেশে খেলা ছেড়ে বা অন্যভাবে আম্পায়ারিংকে পেশা হিসেবে নেওয়া দেশের বাস্তবতায় সম্ভব?

মুকুল : বাস্তবতার কথা এলে আমাদের দেশে শুরুর দিকে কাজ করা কঠিন। যখন আপনি আম্পায়ার হতে যাবেন তখন আর্নিং বা ইনকামের সোর্স হিসেবে ধরে রাখলে সেক্ষেত্রে কষ্ট হবে। তবে দুই-তিন বছরের মাঝে যদি সফল হতে পারেন তাহলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পেশাটি ঠিকঠাক। দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে, আম্পায়ারিংয়ের সঙ্গে পড়াশোনা জরুরি। আপনি যদি টপ লেভেলের আম্পায়ার হন তাহলে কমিউনিকেশন স্কিল থাকতে হবে। আইসিসি যেসব প্রশ্ন পাঠাবে তার উত্তর দিতে হলে যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে। অন ফিল্ডে যখন ম্যাচ করি তখন বাইরের আম্পায়ারের সঙ্গে অফ দ্য ফিল্ডেও বেশ সম্পর্ক থাকে। 

প্রশ্ন : ফিন্যান্সিয়াল ব্যাপারটা যদি ধরেন, আম্পায়ারিং পেশায় সময় এবং অভিজ্ঞতা ইনভেস্ট করলে আসলে লাভ কতটুকু?

মুকুল : প্রাইমারি স্টেজে বিষয়টি কিছুটা কঠিন। আমাদের চেয়ে নিচের লেভেলে যারা আম্পায়ারিং করছেন, যারা ডমেস্টিক আম্পায়ারিং করছেনÑ আসলে পেশাটি এমন একটি জায়গা যেখানে সেকেন্ড অপশন থাকে না। আপনি যদি জব করে থাকেন এবং শুক্র এবং শনিবার আম্পায়ারিং করতে চান তাহলে কিন্তু অনেক কঠিন। কোনো অফিস হয়তো সপ্তাহে দুই দিন বা তিন দিন করে ছুটি দেবেন না। ওই জায়গাটি আমাদের জন্য কঠিন। সেখানেই বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হবে। যদি টিকে যেতে পারেন তাহলে একটা পর্যায় পর তখন আর্থিকভাবে সফল হতে পারেন। তবে আর্থিক বিষয়টি বাদেও আমাদের আম্পায়ারদের সোশ্যাল স্ট্যাটাসও কম ছিল। এশিয়া কাপ, কিছু হোম সিরিজের পর আমাদের সামাজিক মূল্যটা অনেক বেড়েছে। এখন মানুষ আমাদের চেনে, তারা আমাদের সঙ্গেও সেলফি তুলতে চায়। তবে একটা সময় আমাদের নেগেটিভলি দেখা হতো, এখনও আছে, তবে অনেক কম। আর্থিকভাবে বললে এখানে কিছুটা স্ট্রাগল করতে হয়, বিশেষ করে নিচের লেভেলের আম্পায়ারদের। 

প্রশ্ন : আপনি যেমন বলছিলেন ফ্যামিলি সাপোর্ট খুব জরুরি। তো আপনার জন্য কেমন সহায়ক ছিলেন তারা? যদি বলতে চান...

মুকুল : আমি যখন আম্পায়ারিং শুরু করি তখন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালে জব করতাম। একটা সময় দুটো একসঙ্গে চালিয়ে নিতাম। একটা সময় পর মনে হলো দুটো চালিয়ে নেওয়া সম্ভব না। তখন আমি একটা রিস্ক নিয়েছিলাম। প্রায় দু’বছর আমার খুব বাজে সময় গেছে। দুবছর পর আমি খুব ভালো প্রতিষ্ঠিত হতে না পারলেও স্ট্রাগল করতে হচ্ছে না। জীবনটা স্মুথলি যাচ্ছে বলতে পারেন।

প্রশ্ন : আম্পায়ারিং কি থ্যাংকসলেস জব? আপনি পারসোনালি কী মনে করেন...

মুকুল : সাংবাদিকদের মতো তারাও হয়তো জানেন বিষয়টি। তবে যারা এই পেশায় আসবেন তাদের জেনে রাখা ভালো আম্পায়ারিং থ্যাংকসলেস জব। এখানে নেগেটিভ সাইটটি বেশি ফোকাসড হয়। একটা ম্যাচে যদি কোনো আম্পায়ার ১৫/১৬টি আপিল দেখে সিদ্ধান্ত নেন, সেখানের একটিও যদি ভুল হয় সেটি খেলা এবং সাধারণ মানুষের মাঝে বিরূপ প্রভাব ফেলে। বাকিগুলো ঠিক হলেও একটির জন্য তাকে কথা শুনতে হবে। আম্পায়ারিংয়ে এলে এই বিষয়টি চিন্তা করে আসতে হবে। পারসোনালি বললে, কেউ কথা বললে আমি খুব বেশি ভাবি না। আমি জানি ভুল হলে সমালোচনা হবে এবং এটি মেনে নিতেই হবে। আর সবাই নেগেটিভ বলছে সেটাও না।

প্রশ্ন : আপনার চেয়ে কাছে থেকে খেলা কেউ দেখতে পারে না। তো আপনার কাছে বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে কী মনে হয়, ভবিষ্যৎ কী?

মুকুল : আসলে পাঁচজন খেলোয়াড় আমাদের ক্রিকেটকে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে, আমরা খুব লাকি, তারা সবাই বিশ্বমানের। তাদের অনুপস্থিতিতে জায়গাটা ফিলআপ করা আমাদের জন্য খুব কঠিন। সময় লাগবে। হয়তো পাঁচজন আবার পাব না তবে তিনজন পাব, অথবা পাঁচজনের বেশিও পেতে পারি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় জিনিস আমাদের দেশের মানুষ চায় খেলতে, পরিবারও ক্রিকেটে তাদের সন্তানকে পাঠায়। আমাদের ম্যান পাওয়ারের অভাব নেই। কোয়ানটিটি আছে কোয়ালিটি দেখতে হবে।

প্রশ্ন : দেশে আম্পায়ারিং নিয়ে অনেক কথাই হচ্ছে। এখানে আম্পায়ারিংয়ের মান কেমন বলে মনে করেন?

মুকুল : মোদ্দাকথা বললে আমাদের দেশের আম্পায়ারদের ডিসিশন মেকিংয়ের দিক দিয়ে বিশ্বের অনেক আম্পায়ারের চেয়েও ভালো। আমাদের জন্য বা সাহসের জন্য বা টিমের জন্য আমরা পিছিয়ে আছি। কিছু অনলাইন আছে, যারা রিপোর্ট করার জন্য রিপোর্ট করে অনেক টার্ম না বুঝেই। 

প্রশ্ন : প্রযুক্তির কিছু অভাবও তো আছে...

মুকুল : অবশ্যই, আপনি যখন এইচডি টিভি দেখবেন তখন নরমাল টিভি ভালো লাগবে না। আমরা যখন ডিআরএসে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, অটো নো বলে অভ্যস্ত হয়ে গেছি তো তখন এডিআরএস আসলে আপনার মনে হবে না এখানে অনেক তফাৎ আছে। এডিআরএস আম্পায়ারিংয়ের জন্য কঠিনও। এটার প্রটোকলটা অনেক ভিন্ন। আসলে যত বেশি প্রযুক্তি ব্যবহার করব তত বিতর্ক কম হবে। আমাদের একটা ভুল ডিসিশনে একটা দলও হেরে যেতে পারে। যখন প্রযুক্তি থাকে তখন টিমের জন্য আম্পায়ারদের জন্যও ভালো। আসলে ডিআরএসের ঘাটতি ম্যান পাওয়ারের থেকে। ভালো খবর হচ্ছে, দুই-তিন মাসের মধ্যে আইসিসি ৮০ জন টেকনিশিয়ানকে ট্রেইন করছে। তখন হয়তো যারা চাইবে ডিআরএসটা ইউজ করতে পারবে।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা