প্রবা প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ ২০:৫৭ পিএম
আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ ২১:২১ পিএম
ফরচুন
বরিশাল তখন রীতিমতো কাঁপছে।
৪৬ রানে খুইয়ে ফেলেছিল ৪
উইকেট। স্কোর বোর্ডে ভদ্রস্থ একটা রানকেও যেন
মনে হচ্ছিল দূর আকাশের তারা।
তবে সাকিব আল হাসান আর
ইফতিখার আহমেদের ভাবনায় অন্য কিছুই যেন
ছিল। দুজন মিলে
রীতিমতো তাণ্ডবই চালিয়েছেন রংপুরের বোলারদের ওপর। বরিশাল তাদের
ইনিংস শেষ করেছে ২৩৮
রানে।
দিনের
শুরুটা ভিন্ন কিছুর আভাস দিচ্ছিল। এনামুল
হক বিদায় নিয়েছিলেন দলীয় ৩০ রানে।
এরপরই যেন শুরু হয়
দলটির ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল।
ইবরাহিম জাদরান ফিরলেন হারিস রউফের করা সে ওভারেই।
সাকিব মাঠে আসেন এরপর।
এসে ফিরতে দেখেন সঙ্গী মেহেদি হাসান মিরাজ ও মাহমুদউল্লাহকে, দলের
রান তখন মোটে ৪৬,
পাওয়ারপ্লের পুরোটাই শেষ প্রায়!
সেখান
থেকে বরিশাল আর উইকেট খোয়াবে
না, রান তুলবে বিপিএল
রেকর্ডের চেয়ে একটা কম,
এমন কিছু বোধহয় পাঁড়
বরিশাল-ভক্তও কল্পনা করেননি। সাকিব আর ইফতিখার আহমেদ
মিলে সেটাই করেছেন এরপর। শুরুতে খানিকটা স্থিতধীই ছিলেন দুজনে। দশ
ওভার শেষ হলো যখন,
দলের রান তখন মোটে
৭৩।
ইফতিখার
খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন
এরপর। ১১তম ওভারে ১৩
রান তুলে আভাস দিলেন
ঝড়ের। এরপর সুযোগ অবশ্য
দিয়েছিলেন রংপুরকে। ১৩তম ওভারে শামীম
পাটোয়ারীর ওভারে তিনি ২৪ তুলেছিলেন
বটে, কিন্তু শেষ বলে তার
ক্যাচ ফেলেছিলেন রনি তালুকদার। সেই
ভুলেরই মাশুল রংপুর দিল শেষতক। ইফতিখার
শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ১০০ রানে। ৪৫
বলে তিনি করেছেন সেঞ্চুরিটা,
বিপিএলের দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় উঠে এসেছেন দুই
নম্বরে।
সাকিবও
ছিলেন খুনে মেজাজে । শুরুতে
খানিকটা রয়েসয়ে খেললেও শেষদিকে এসে
রুদ্ররূপ ধারণ করেন। শুরুর
২৬ বলে তার রান
যেখানে ছিল মোটে ৩২,
সেই তিনিই কি না শেষটা
করেন ৮৯ রানে, তাও
মাত্র ৪৩ বল খেলে।
৮৬ বলে দুজনের
অপরাজিত ১৯২ রানের জুটিতে
ভর করেই বরিশাল শেষমেশ
তোলে ২৩৮ রান।