প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৩ ১০:৪৬ এএম
আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২৩ ১০:৫৫ এএম
আল নাসরের জার্সি হাতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
পর্তুগালের ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মানেই আলাদা একটা উন্মাদনা। বিশ্বের যে প্রান্তেই তিনি ফুটবল খেলুক না কেন তার ওপর মিডিয়ার লাইমলাইট থাকবেই।
কাতার বিশ্বকাপে তার দেশ পর্তুগাল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়ার পরেই তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরে যোগ দেন।
তবে মার্কা জানিয়েছে, সৌদির ক্লাবে যোগ দেওয়ার পরবর্তীতেও তিনি খেলতে পারেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। হ্যাঁ, রোনালদোর চুক্তি অন্তত সেই কথাই বলছে।
আল নাসরের সঙ্গে চুক্তিতে রয়েছে এমনই একটা শর্ত। শর্তটি দিয়েছেন স্বয়ং রোনালদোই।
প্রিমিয়ার লিগের দল নিউক্যাসল ইউনাইটেড যদি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পায়, তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে খেলতে পারবেন রোনালদো।
দুই ক্লাব আল নাসর এবং নিউক্যাসল ইউনাইটেড দুই দলেরই মালিকানা সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের। আর এই সুযোগকেই কাজে লাগিয়েছেন রোনালদো।
সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রোনালদো তার চুক্তিতে এমন একটা শর্ত দিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পেলে তাকে লোনে ওই ইংলিশ ক্লাবে পাঠাতে হবে।
এই মুহূর্তে ১৭ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়র লিগে টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউক্যাসল। নিয়ম অনুযায়ী প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ চার দল পরের মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পাবে।
ফলে বাস্তবে সেটা হলে ফের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে খেলতে দেখা যাবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে।
চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে না পারায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার কথা প্রথম জানান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
আর সেই কারণেই ম্যার ইউয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক খারাপ হয়। বিশ্বকাপের আগে পিয়ার্স মরগ্যানকে দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ক্লাবের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন রোনালদো।
তারপরেই পারস্পরিক সহমতের ভিত্তিতে দুই পক্ষ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ইউরোপ ছেড়ে এশিয়াতে আসার সিদ্ধান্ত নেন সিআর সেভেন।
এরপরই সৌদি ক্লাব আল নাসরের সঙ্গে আড়াই বছরের চুক্তি করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।