প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে দলের প্রথম গোল করার পর উদযাপন করছেন। ছবি: রয়টার্স
বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স।
বাংলাদেশ সময় বৃহষ্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফ্রান্স জয় পেয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে।
তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।
বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি ছিল অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের।
একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তিদের নিয়ে ছেলেখেলা করেছে।
তবে শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স।
ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি।
লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।
স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা বরাবর নিয়েছিলেন।
কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন।
সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।
৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন।
গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স।
সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়।
তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।
এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে।
শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়।
তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। সে সঙ্গে জয়ও নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের। পৌঁছে যায় সেমিফাইনালে।