প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে
কিলিয়ান এমবাপ্পে ফ্রান্সের পক্ষে প্রথম গোল করার পর রেফারি ফাকুন্দো তেল্লোর কাছে প্রতিবাদ জানান মরোক্কোর খেলোয়াড়রা। ছবি: রয়টার্স
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল পেরিয়ে আরও দূর যাওয়ার স্বপ্ন ছিল মরক্কোর। তবে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে।
ম্যাচ শেষে মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি অকপটে স্বীকার করেছেন, ফ্রান্সই ছিল শ্রেষ্ঠ দল।
একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এই পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়েই ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের আরও শক্তিশালী করে তুলতে চান তারা।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের ম্যাচ শেষে ওয়াহবি বলেন, “আমি আমার খেলোয়াড়দের বলেছি, মাথা উঁচু করে রাখতে। কারণ আমরা আমাদের সর্বস্ব দিয়েছি, সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
“কিন্তু অবশ্যই আমাদের বাস্তবতা মূল্যায়ন করতে হবে। আরও এগিয়ে যেতে হলে সেটাই জরুরি।”
তিনি বলেন, আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। বরং আত্মসমালোচনা করে নিজেদের দুর্বলতা খুঁজে বের করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তার ভাষায়, “শুধু এটা বলে সন্তুষ্ট থাকা যাবে না যে আমরা আমাদের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি ও গর্বিত। আমাদের সামনে এগোতে হবে।”
কোয়ার্টার-ফাইনালে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ফ্রান্সের হাতে। মরক্কো খুব কম সময়ই প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছে।
ওয়াহবি বলেন, প্রথমার্ধ তাদের জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। ফ্রান্স বলের দখল ধরে রেখে দুই প্রান্ত ও মাঝমাঠে আধিপত্য বিস্তার করেছে। অন্যদিকে বল পেলেও মরক্কো দ্রুত আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি।
তিনি বলেন, “আমাদের স্বীকার করতেই হবে, তারা একটি দুর্দান্ত দল। তাদের অসাধারণ মানের খেলোয়াড় রয়েছে এবং গোল করার সুযোগও তারা বেশি তৈরি করেছে।
“আমাদের সৃজনশীলতার অভাব ছিল, সতেজতাও ছিল না। এই পরাজয় আমাদের মেনে নিতেই হবে।”
চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপেও সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছেই বিদায় নিয়েছিল মরক্কো।
তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী ওয়াহবি। তিনি বিশ্বাস করেন, আরও কঠোর পরিশ্রম করলে একদিন ফ্রান্সকেও হারানো সম্ভব।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপ স্পেন ও পর্তুগালের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজন করবে মরক্কো। সেই আসরের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে দেশটি।
ফ্রান্সের শিরোপা সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ওয়াহবি বলেন, দলটির ফাইনালে ওঠা ও বিশ্বকাপ জয়ের সামর্থ্য রয়েছে।