প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৯ ঘণ্টা আগে
ছবি: ভিডিও থেকে
ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেয় মিসর। তবে ম্যাচের শেষ দিকে মোহাম্মদ সালাহকে ঘিরে একটি বিতর্কিত মুহূর্ত নিয়ে ফুটবল বিশ্বে আলোচনা চলছে।
মিসরের দাবি, আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে পেনাল্টি বক্সে সালাহ ফাউলের শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে বলেন। যেখানে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) হস্তক্ষেপ করেনি।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়কে অবহেলাবশত, বেপরোয়া বা অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করে ফেলে দেওয়া, লাথি মারা, পা লাগানো বা ধাক্কা দিলে সরাসরি ফাউল ধরা হবে। তবে শারীরিক সংস্পর্শ হলেই ফাউল হবে- এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। রেফারির বিবেচনায় যদি সংস্পর্শটি স্বাভাবিক, সামান্য বা খেলার অংশ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে খেলা চালিয়ে যেতে পারেন।
খেলার রিপ্লেতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার প্রথমে বলে স্পর্শ করেন। এ সময় সালাহ বলের কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলেন। এরপর সালাহর সঙ্গে শারীরিক সংস্পর্শ হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি কোনো খেলোয়াড় বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং ওই সময় যদি তিনি পায়ে চার্জ খেয়ে পড়ে যান তাহলে সেটা ফাউল হিসেবে গণ্য হয় না।
তাই রেফারি এটিকে স্বাভাবিক ফুটবল সংস্পর্শ হিসেবে দেখেছেন এবং খেলা চালিয়ে গিয়েছেন।
একইভাবে ইংল্যান্ডের সঙ্গে কঙ্গোর ম্যাচে হ্যারি কেনের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল। গোলকিপার তাকে বাধা দেওয়ার আগেই তিনি বডি কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলেছিলেন। যে জন্য সেটা ফাউল ধরা হয়নি এবং পেনাল্টি দেওয়া হয়নি।
ভিএআর কেন হস্তক্ষেপ করেনি?
ভিএআর কেবল তখনই হস্তক্ষেপ করে, যখন রেফারির সিদ্ধান্তে ‘স্পষ্ট ও সুস্পষ্ট ভুল’ থাকে। পেনাল্টির মতো ঘটনায় ভিডিও পর্যালোচনায় যদি মনে হয় রেফারির সিদ্ধান্ত যুক্তিসঙ্গত ছিল বা ঘটনাটি বিতর্কিত হলেও স্পষ্ট ভুল নয়, তাহলে ভিএআর অন-ফিল্ড রিভিউয়ের সুপারিশ করে না।
ম্যাচে সালাহর ঘটনায় মিসরের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ পেনাল্টির জোরালো দাবি জানালেও রেফারি সেটিকে ফাউল হিসেবে দেখেননি। ফলে ভিএআরও সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন মনে করেনি।