গোল্ডেন বুট। ছবি: ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে
বিশ্বকাপে বইছে গোলের বন্যা। একের পর এক গোল করেই চলেছেন তারকারা। তার ফলে ভেঙে যাচ্ছে একের পর এক রেকর্ড। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হালান্ডের পায়ে ইতিহাস তৈরি হয়েছে এ বারের বিশ্বকাপে।
জোড়া গোল করে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায় ঘণ্টা বাজিয়েছেন আর্লিং হালান্ড। এই জোড়া গোলের ফলে চলতি বিশ্বকাপে তার গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭। চার ম্যাচ খেলে ৭ গোল করেছেন তিনি।
সমসংখ্যক গোল রয়েছে আরও দুই ফুটবলারের। কিলিয়ান এমবাপে ও লিওনেল মেসির। পাঁচ ম্যাচে ৭ গোল করেছেন এমবাপে। মেসি চার ম্যাচে করেছেন ৭ গোল। অর্থাৎ, তিন ফুটবলারই সাতটি করে গোল ইতোমধ্যেই করে ফেলেছেন। বিশ্বকাপের রেকর্ড এটি।
এই প্রথম বার এক বিশ্বকাপে তিন ফুটবলার সাত বা তার বেশি গোল করেছেন। চার বছর আগে সংখ্যাটা ছিল দুই। কাতার বিশ্বকাপে মেসি ও এমবাপে সাত বা তার বেশি করেছিলেন। এবার সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন। এ পর্যন্ত কোনও বিশ্বকাপে তিন জন ফুটবলার সাত বা তার বেশি গোল করেননি।
সাত গোল করে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এবমাপে ও আর্লিং হালান্ড গোল্ডেন বুটের দৌড়ে ভালোভাবে টিকে আছে। সমান ম্যাচে মেসির সামনে অবশ্য গোল সংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিলিয়ান এবমাপে ও আর্লিং হালান্ড তাদের শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। নিজ নিজ ম্যাচে জয় পেয়ে তারা দলকে নিয়ে গেছেন কোয়ার্টার ফাইনালে। মেসি এখনো শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলেননি। আজ মিসরের বিপক্ষে খেলবেন। এ ম্যাচে গোল পেলে তিনি আবার কিলিয়ান এবমাপে ও আর্লিং হালান্ডকে পেছনে ফেলে দেবেন।
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কিলিয়ান এবমাপে, আর্লিং হালান্ড ও লিওনেল মেসির সঙ্গে আরও আছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন। ছয় গোল তার। তাদের সঙ্গে আরও আছেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম, ফ্রান্সের ওসমানে দেম্বেলে ও স্পেনের মাইকেল ওয়ারজাবাল। তিনজনেই চারটি করে গোল করেছেন।
একটি বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের রেকর্ড রয়েছে ফ্রান্সের জাঁ ফঁতের। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচ খেলে ১৩ গোল করেছিলেন তিনি। ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপে ১১ গোল করেছিলেন হাঙ্গেরির সাভর কোসিস। মেসি, এমবাপে ও হালান্ড যে গতিতে এগোচ্ছেন, তাতে তারা ফাইনাল পর্যন্ত গেলে এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের রেকর্ডও এ বার ভেঙে যেতে পারে।