প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
হাইতির উইলসন ইসিডোরের শটে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর গোল হজম। ছবি: এপি
বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে সুফিয়ান রাহিমি এবং গেসিম ইয়াসিন মরক্কোকে হাইতির বিপক্ষে ৪-২ গোলের দারুণ এক জয় উপহার দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার এই হারের ফলে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার যে স্বপ্ন ক্যারিবীয় দেশটি দেখছিল, তা ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।
চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো। এদিন ৫২ বছর পর বিশ্বমঞ্চে খেলতে আসা হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে তারা দুইবার পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নেয়।
খেলার ৭৮তম মিনিটে রাহিমির একটি শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে মরক্কো ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এরপর ৮৯তম মিনিটে ইয়াসিন গোল করে হাইতির অঘটনের সব আশা শেষ করে দেন।
গ্রুপ সি থেকে ব্রাজিলের পেছনে দ্বিতীয় স্থানে থেকে মরক্কো এখন ৩২ দলের রাউন্ডে পৌঁছেছে। মন্টেরিতে অনুষ্ঠিতব্য পরের ম্যাচে তারা গ্রুপ এফের রানারআপ—নেদারল্যান্ডস, জাপান অথবা সুইডেনের মুখোমুখি হবে। গ্রুপের অন্য ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ৩-০ গোলে স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করেছে।
ম্যাচ শেষে মরক্কোর মিডফিল্ডার বিলাল এল খানৌস বলেন, “মাঝে মাঝে আমাদের মধ্যে অতি-আত্মবিশ্বাস ছিল যার খেসারত দিতে হয়েছে। আমরা লড়াইয়ে পুরোপুরি মনোযোগী ছিলাম না, ফলে হাইতি আত্মবিশ্বাস পেয়ে যায় এবং দুটি গোল করে বসে। বিরতির সময় কোচ আমাদের আরও আক্রমণাত্মক হতে এবং আক্রমণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।”
সদ্য সমাপ্ত আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস জয়ী মরক্কোর লক্ষ্য এবারও বিশ্বকাপের শেষ পর্যন্ত যাওয়া। কিন্তু ম্যাচের শুরুতে হাইতি তাদের বেশ ভড়কে দিয়েছিল। ১০ম মিনিটে করা হাইতির গোলটি ছিল গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে বিশ্বকাপে তাদের প্রথম গোল।
লেনি জোসেফের একটি ব্যাক-হিল ফ্লিক মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর পিঠে লেগে জালে জড়ায়। ১৯৭৪ সালে ইমানুয়েল সাননের পর এটিই বিশ্বকাপে হাইতির প্রথম গোল। অবশ্য গোলটি বুনোর আত্মঘাতী গোল হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়েছে।
পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মরক্কো। ৩৯তম মিনিটে আশরাফ হাকিমি দলকে সমতায় ফেরান। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসাইড এল খানৌসের একটি ক্রস ঠেকানোর চেষ্টা করলেও হাকিমিকে বল জালে পাঠানো থেকে আটকাতে পারেননি।