প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
ফ্লোরিডার মায়ামি গার্ডেন্সে বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচে ব্রাজিলের ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোল উদযাপন। ছবি: এপি
ভিনিসিউস জুনিয়র কাজটা সহজ করে দিলেন, ঠিক তেমনি সহজ জয় পেল ব্রাজিলও।
বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ‘গ্রুপ সি’র চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে এবং প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে গোল দুটি করেন ভিনিসিউস। আসরের গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই জালের দেখা পেলেন এই তারকা। বর্তমানে চার গোল নিয়ে তিনি নরওয়ের আর্লিং হালান্দ ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। পাঁচ গোল নিয়ে সবার উপরে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি।
ব্রাজিলের হয়ে অন্য গোলটি করেন মাথেউস কুনহা। এই জয়ের মাধ্যমে টানা ১৫ বারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পৌঁছাল ‘সেলেসাও’রা। এই গ্রুপ থেকে রানার্স-আপ হিসেবে পরের রাউন্ডে উঠেছে মরক্কো, যারা অন্য ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে।
মরক্কোর বিরুদ্ধে ১-১ ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা ব্রাজিল সমালোচনার মুখে ছিল। তবে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে টানা ৩-০ ব্যবধানের জয়ে ছন্দে ফিরেছে তারা।
কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলের ধারাবাহিক উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা আমাদের সেরাটা খেলার চেষ্টা করছি। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য কেবল ভালো খেলা নয়, বরং জয়লাভ করা। যদি আমরা বিশ্বকাপ জিতি, তবেই লোকে বলবে আমরা ভালো খেলেছি। আর জিততে না পারলে সব পারফরম্যান্সই ম্লান হয়ে যাবে।”
ম্যাচের শুরুতেই স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নেন ভিনিসিউস। ১৯ বছর বয়সী স্ট্রাইকার রায়ানের কাছ থেকে বল পেয়ে গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে কাটিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। প্রথমার্ধের শেষের দিকে স্কটিশদের আরেকটি ভুলের সুযোগ নিয়ে কাছ থেকে হেডের মাধ্যমে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচ শেষে ভিনিসিউস বলেন, “গোল পাওয়া সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি এবং উন্নতি করছি। জাতীয় দলের হয়ে অনেক সময় আমি আমার আসল খেলাটা দেখাতে পারিনি, তবে এখন ছন্দ ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে।”