প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৯ ঘণ্টা আগে
পানামার বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোল করার পর উদযাপন করেন ঘানার ক্যালেব ইয়েরেনকি। ছবি: ইএসপিএন
শেষ মুহূর্তের গোলে পানামাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এল’-এ ইংল্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এসেছে ঘানা। যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ দিকে ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তের বাড়ানো বল জালে পাঠিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ক্যালেব ইয়েরেনকি।
টরন্টোর বৃষ্টিভেজা আবহাওয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল পানামা। ডান দিক থেকে আসা ক্রসে সেসিলিও ওয়াটারম্যানের হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ঘানার গোলরক্ষক লরেন্স আতি-জিগি।
প্রথমার্ধে তুলনামূলক ভালো খেলেছে পানামা। ক্রিস্তিয়ান মার্তিনেজের পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি, আর জিওভানি রামোসের শট আতি-জিগির মুষ্টিবদ্ধ পাঞ্চে বল বাইরে চলে যায়।
ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড অঁতোয়ান সেমেনিও ঝলক দেখাতে শুরু করেন এবং বিরতির ঠিক আগে দুর্দান্ত একটি থ্রু বল বাড়ান। সেখান থেকেই ম্যাচে প্রথমবারের মতো গোলমুখে আক্রমণ করে ঘানা, যদিও মারভিন সেনায়ার শট জালে না গিয়ে কর্নার ফ্ল্যাগের দিকেই বেশি এগিয়ে যায়।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে চোট পেয়ে চিকিৎসা নেওয়া আতি-জিগির পরিবর্তে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামেন বেঞ্জামিন আসারে। বিরতির পর ঘানা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। জোনাস আদজেতের হেড সরাসরি পানামার গোলরক্ষক অরল্যান্ডো মসকেরার হাতে পড়ে।
অন্য প্রান্তে মার্তিনেজ পোস্টের ভেতরে বল রাখতে ব্যর্থ হন। এরপর ম্যাচের গতি বাড়তে থাকে। জর্ডান আয়েউর নিশ্চিত গোল শেষ মুহূর্তে রামোসের ট্যাকলে রক্ষা পায় পানামা। পরে অফসাইডের কারণে এবং মসকেরার সেভে ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তের গোলের সুযোগ নষ্ট হলেও, শেষ পর্যন্ত তিনিই ডান দিক থেকে নিখুঁত ক্রস বাড়ান, যা থেকে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোলটি করেন ক্যালেব ইয়েরেনকি।
ম্যাচ শেষে পানামার প্রধান কোচ থমাস ক্রিস্টিয়ানসেন এই হারকে ‘বেদনাদায়ক’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমরা আরও ভালো ফল পাওয়ার যোগ্য ছিলাম। এই ম্যাচ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। বিশ্বকাপের মতো আসরে ছোট ভুলেরও বড় মূল্য দিতে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “এখন আফসোস করার সময় নয়। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আমরা ভীত হয়ে খেলব না। আমরা দেখাতে চাই, পানামাকে হারানো সহজ নয় এবং শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমরা লড়াই করে যাব।”