ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫:৪২ পিএম
আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৬:১৬ পিএম
বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন।
দেশের ক্রীড়া সাংবাদিক ও লেখকদের সবচেয়ে পুরনো এবং ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)। এই সংগঠন তাদের হীরকজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে দেশের ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের সম্মানিত করেছে।
সংগঠনের জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন সাকিব আল হাসান। সাবেক ফুটবলার এবং বর্তমানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন হয়েছেন দ্বিতীয় সেরা।
সাকিব ও সালাউদ্দিনের পর তৃতীয় সেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার দাবাড়ু নিয়াজ মোরশেদ।
তবে এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি সাবেক এ তারকা ফুটবলার। বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) দেওয়া এই সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করেছেন সালাউদ্দিন। সেই সিদ্ধান্তের খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে ফেডারেশন। বিজ্ঞপ্তিতে বাফুফে এই পুরস্কারকে প্রহসন হিসেবেই অ্যাখ্যায়িত করেছে।
বাফুফে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘সভায় গত ৩০-১২-২২ তারিখে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) কর্তৃক বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অন্যতম খেলোয়াড়, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত, শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের পরপর চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত সম্মানিত সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনকে প্রদত্ত দ্বিতীয় সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।’
বিএসপিএ’র ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্য শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে জমকালো এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংস্থাটি। হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের সেরা দশ ক্রীড়াবিদকে সম্মাননা দিয়েছে সংগঠনটি।
শীর্ষ তিনজনকে মঞ্চে ডাকলে মঞ্চে গিয়ে পুরস্কারও গ্রহণ করেন সালাউদ্দিন।
পুরস্কারপ্রাপ্তির আগে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি সবশেষ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেছি ৩৪ বছর আগে। আমি একজন ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়াবিদসুলভ মানসিকতা নিয়েই আমি যে ফলই আসুক মেনে নেব।’
কিন্তু আসলে তিনি সাকিবের কাছে পুরস্কার জয়ের দৌড়ে নিজের হারটা মেনে নিতে পারেননি। মন খারাপ করে মঞ্চ থেকে নেমেই অনুষ্ঠানের ভেন্যু ছেড়ে বেরিয়ে যান সালাউদ্দিন। শীর্ষ ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে এক ফ্রেমে ছবিও তোলেননি।