ছবি: আরএনজেড নিউজ
সর্বশেষ দুটো বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায়ঘণ্টা বেজেছিল জার্মানির। এবারে তাই বোধকরি শুরু থেকেই সতর্ক চারবারের বিশ্ববিজয়ীরা। নবাগত কুরাসাওকে গোলে ভাসিয়ে বড় বার্তাই দিয়ে রাখল জার্মানি। গতকাল হিউস্টনে ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৭-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জার্মান জায়ান্টরা। প্রথমার্ধে দলটি এগিয়ে ছিল ৩-১ ব্যবধানে।
একপেশে ম্যাচটিতে সেরা মুহূর্তের জন্ম কিন্তু দিয়েছিল মাত্র
দেড় লাখ মানুষের দেশ কুরাসাও। খেলার ৬ মিনিটে গোল হজম করেও উদ্যম না হারিয়ে সমানতালে
লড়াই করতে থাকে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়া কুরাসাও। ২১ মিনিটে জার্মান জালে
বল জড়িয়ে ইতিহাস সৃস্টি করেন দেশটির রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়া। বাঁ পায়ের শটে পরাস্ত
করেন জার্মান গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যারকে। এটা বিশ্বকাপ ইতিহাসে কোমেনেনসিয়া তথা কুরাসাওয়ের
প্রথম গোল।
গোল পরিশোধের পর ১৭ মিনিট জার্মানদের আটকে রাখতে সমর্থ হয়
কুরাসাও। কিন্তু শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনে এই উদ্যম ধরে রাখতে পারেনি নবাগত দলটি।
খেলার ৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে হেডের সাহায্যে গোল করেন জার্মান ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক।
২-১ গোলে লিড নেয় তারা। এরপর খেই হারিয়ে ফেলে কুরাসাও। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে
পেনাল্টি থেকে তৃতীয় গোলটি পায় জার্মানি। তাদের মিডফিল্ডার ফেলিক্স এনমেচা কুরাসাওয়ের
বক্সে ফাউলের শিকার হন। রেফারি নির্দেশ দেন পেনাল্টির। সুযোগ কাজে লাগান জার্মান ফরোয়ার্ড
কাই হাভার্টজ। ম্যাচটি পরিণত হয় আনুষ্ঠানিকতায়।
দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের মধ্যে গোল দেওয়ার প্রতিযোগিতায় নামে
জার্মানরা। বিরতির পরপরই গোল উৎসবে যোগ দেন জামাল মুসিয়ালা। ইয়োশুয়া কিমিখের পাস ধরে
দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলটি করেন তিনি। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে দলের পক্ষে পঞ্চম গোলটি করেন নাথানিয়েল
ব্রাউন। এর ১০ মিনিট পর ব্যবধান ৬-১-এ উন্নীত করেন ডেনিজ উনদাভ। জার্মানির হয়ে সপ্তম
গোলটি করেন হাভার্টজ। ম্যাচে এটি তার দ্বিতীয় গোল।