গত ২০২২ বিশ্বকাপে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হয়েছিলেন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। এবার কে হবেন সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়? ছবি : বিবিসি স্পোর্ট
ফুটবলপ্রেমীদের বলতে গেলে একটা পুরোপুরি মুখস্তই-কোন্ সুপারস্টাররা এবারের ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেবেন। কিন্তু অনেকেই যারা জানেন না আসন্ন বিশ্বকাপ মাতাতে পারেন কোন্ তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলাররা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর এই আসরে রেকর্ড ১,২৪৮ খেলোয়াড় অংশ নেবেন। যদিও তাদের সবাই একেবারে অপরিচিত নন, তবে এদের মধ্যে ৮৯১ জনেরই এটি প্রথম বিশ্বকাপ। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের মেলে ধরতে উন্মুখ এমন অনেক নতুন মুখই থাকছেন এই তালিকায়।
ইয়ান দিওমান্দে (আইভরি কোস্ট): বয়স: ১৯। পজিশন:
উইঙ্গার। ক্লাব: আরবি লাইপজিগ। লিভারপুল, ম্যানচেস্টার সিটি, রিয়াল মাদ্রিদ, পিএসজি
এবং বায়ার্ন মিউনিখের মতো ক্লাবগুলোর রাডারে আছেন তিনি। তবে লাইপজিগের দাবি, তিনি বিক্রির
জন্য নন এবং তার বর্তমান বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১৩০ মিলিয়ন ইউরোরও বেশি।
বুন্দেসলিগার ‘রুকি অফ দ্য সিজন’ পুরস্কার জেতা দিওমান্দে ২০২৫ সালের
জুলাইয়ে মাত্র ২০ মিলিয়ন ইউরোতে স্প্যানিশ ক্লাব লেগানেস থেকে লাইপজিগে যোগ দেন। এরপরই
তিনি লিগে ৩৩ ম্যাচে ২১টি গোলে অবদান (১২ গোল ও ৯ অ্যাসিস্ট) রেখে লাইপজিগকে চ্যাম্পিয়ন্স
লিগে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন।
গিলবার্তো মোরা (মেক্সিকো) : বয়স: ১৭। পজিশন:
মিডফিল্ডার। ক্লাব: টিজুয়ানা। গত বছরের অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে স্পেনের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত
খেলার পর স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম তাকে ‘দ্য মেক্সিকান পেদ্রি’, ‘মেক্সিকান পার্ল’ এবং
‘ক্র্যাকিটো’ (ছোট ওস্তাদ) নামে আখ্যায়িত করে। রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটির
মতো ক্লাবগুলো তাকে নজরে রাখছে। এবারের বিশ্বকাপের কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হলেন এই ১৭ বছর
বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। গত গ্রীষ্মের গোল্ড কাপে মাত্র ১৬ বছর বয়সে মেক্সিকোর সর্বকনিষ্ঠ
সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে তার অভিষেক হয়। মেক্সিকোর কোচ হাভিয়ের আগুইরে তাকে ফাইনালের
মূল একাদশে রেখেছিলেন, যেখানে মরিসিও পচেত্তিনোর যুক্তরাষ্ট্রকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল
মেক্সিকো। ঘরের মাঠ আজটেকা স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ
মিশনে অনেক আশার আলো তাকে ঘিরেই থাকবে।
জোহান মানজাম্বি (সুইজারল্যান্ড): বয়স: ২০। পজিশন:
মিডফিল্ডার। ক্লাব: এসসি ফ্রাইবার্গ। ছেলেবেলায় গোলকিপার হতে চেয়েছিলেন এবং জার্মানির
কিংবদন্তি ম্যানুয়েল নয়্যারকে আইডল মানতেন। সুইজারল্যান্ড সবসময় তরুণ খেলোয়াড়দের বড়
মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ দেয়, যেমনটা অতীতে দেখা গেছে ব্রেল এমবোলো বা ড্যান
এনদোঁয়ের ক্ষেত্রে। এবার মানজাম্বির পালা। ফ্রাইবার্গকে ইউরোপা লিগের ফাইনালে তুলতে
তিনি বড় ভূমিকা রেখেছেন। সুইস অধিনায়ক গ্রানিত জাকাও এক সাক্ষাৎকারে তার ভূয়সী প্রশংসা
করেছেন।
সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিনের ভাষায়, ‘গোলের প্রতি তার এমন এক অবিশ্বাস্য ক্ষুধা
আছে যা খুব কম খেলোয়াড়ের মাঝেই দেখেছি।’
রিকার্ডো পেপি (যুক্তরাষ্ট্র): বয়স: ২৩। পজিশন:
স্ট্রাইকার। ক্লাব: পিএসভি আইন্দহোভেন। জাপানি অ্যানিমে সিরিজ ‘নারুটো’র একটি চরিত্রের
বিশেষ ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে পেপি তার সিগনেচার গোল উদযাপন করেন। যৌথ আয়োজক হিসেবে
গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে অনেক দূর যাওয়ার প্রচণ্ড চাপ থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর। আইন্দহোভেনের
স্ট্রাইকার রিকার্ডো পেপি হতে পারেন তাদের মূল ভরসা। গত মৌসুমে পিএসভির ডাচ লিগ জয়ের
পথে তিনি ১৯টি গোল করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৩৫ ম্যাচে ১৩ গোল করেছেন।
নিকো পাজ (আর্জেন্টিনা): বয়স: ২১। পজিশন: মিডফিল্ডার। ক্লাব:
কোমো। গোল করার পর লিওনেল মেসির মতো আকাশে দুই হাত তুলে কিংবা ইদানীং সেরি এ-তে গোল
করে দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ‘মাস্ক’ উদযাপনের জন্য তিনি পরিচিত। সেস্ক ফ্যাব্রেগাসের
অধীনে ইতালিয়ান ক্লাব কোমোর দুর্দান্ত সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছেন পাজ। বাঁ-হাতি এবং
নাম্বার ১০ পজিশনে খেলায় অনেক আগে থেকেই তার সাথে মেসির তুলনা শুরু হয়েছে। তবে তার
এখনো অনেক দূর যাওয়ার বাকি। স্ট্রাইকারের ঠিক পেছনে বা উইংয়ে ড্রাফট করে খেলতে তিনি
ভালোবাসেন। লিওনেল স্ক্যালোনি তাকে কীভাবে ব্যবহার করবেন, তা দেখার বিষয়।
জেসিম ইয়াসিন (মরক্কো): বয়স: ২০। পজিশন: রাইট-উইঙ্গার।
ক্লাব: স্ট্রাসবার্গ। মরক্কোর এই ওয়াইল্ডকার্ড খেলোয়াড় বার্সেলোনার রাডারে ছিলেন, তবে
জানুয়ারি ২০২৬-এ ফরাসি দ্বিতীয় স্তরের দল ডানকার্ক থেকে ৭ মিলিয়ন ইউরোতে স্ট্রাসবার্গে
যোগ দেন। নতুন কোচ মোহাম্মদ ওহাবির অধীনে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জয়ে তার বড় ভূমিকা ছিল।
কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট দলে জায়গা করে নিতে তিনি সাম্প্রতিক প্রীতি ম্যাচগুলোতে
নিয়মিত খেলছেন। অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে আলো ছড়ানোর পর এবার বড় মঞ্চের পালা। তার চমৎকার
ক্লোজ বল কন্ট্রোল রয়েছে এবং ড্রিবলিং করতে ভালোবাসেন।
লুকাস হেরিংটন (অস্ট্রেলিয়া): বয়স: ১৮। পজিশন:
সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। ক্লাব: কলোরাডো র্যাপিডস।
অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ ইতিহাসের যেকোনো স্কোয়াডের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়
তিনি। ব্রিসবেনের এই তরুণ সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার এ বছরের জানুয়ারিতে ক্লাব রেকর্ড ফিতে
যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে যোগ দেন এবং সেখানে দারুণ পারফর্ম করে অস্ট্রেলিয়ার
বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন।
কেরিম আলাজবেগোভিক (বসনিয়া-হার্জেগোভিনা): বয়স: ১৮। পজিশন:
উইঙ্গার। ক্লাব: রেড বুল সালজবার্গ। সালজবার্গে দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটানোর পর বায়ার
লেভারকুসেন মাত্র এক মৌসুম পরেই তাদের বাই-ব্যাক ক্লজ ব্যবহার করে তাকে ফিরিয়ে নিয়েছে।
বয়স কম হলেও বড় মঞ্চে স্নায়ুচাপ সামলানোর ক্ষমতা তিনি দেখিয়েছেন, বিশেষ করে প্লে-অফ
সেমিফাইনালে ওয়েলসের বিপক্ষে এবং ফাইনালে ইতালির বিপক্ষে শুটআউটে জয়সূচক গোল করে। বসনিয়ান
ফুটবলের নতুন পোস্টার বয় বলা হচ্ছে তাকে।
জান উজুন (তুরস্ক): বয়স: ২০। পজিশন: মিডফিল্ডার।ক্লাব: আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট।
জার্মানিতে জন্ম নেওয়া এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার দুই বছর আগে নুর্নবার্গ থেকে ফ্রাঙ্কফুর্টে
যোগ দেওয়ার পর থেকে সমর্থকদের মন জয় করেছেন। গত মৌসুমের শুরুতে প্রথম ৫ ম্যাচে ৫ গোল
ও ৩ অ্যাসিস্ট করলেও হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে শীতে মাঠের বাইরে ছিলেন। কোচ ভিনসেঞ্চো
মন্তেল্লার অধীনে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে তিনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন।
আরমান্দো গঞ্জালেস (মেক্সিকো): বয়স: ২৩। পজিশন:
স্ট্রাইকার।ক্লাব: চিভাস ডি গুয়াদালাজারা।
গুয়াদালাজারার হয়ে গত মৌসুমে ২৫ গোল করা গঞ্জালেসের খেলার মধ্যে কিংবদন্তি
হাভিয়ের 'চিচারিতো' হার্নান্দেজের ছায়া দেখা যায়। চিচারিতো যখন গুয়াদালাজারাতে ক্যারিয়ার
শেষ করতে ফিরে আসেন, গঞ্জালেস তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন। মেক্সিকোর গোলের মূল
দায়িত্ব রাউল জিমেনেজের ওপর থাকলেও গঞ্জালেস দারুণ এক ভবিষ্যৎ।
আইয়ুব বুয়াদ্দি (মরক্কো): বয়স: ১৮। পজিশন:
মিডফিল্ডার। ক্লাব: লিলি। আর্সেনালের দীর্ঘমেয়াদী টার্গেট বুয়াদ্দি গণিতে ডিগ্রি নিচ্ছেন।
ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলার সময় তার প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে সতীর্থরা তাকে
‘আইনস্টাইন’ ডাকত! ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-২১ দলে খেললেও গত মাসে তিনি মরক্কোর হয়ে খেলার
সিদ্ধান্ত নেন। ইতোমধ্যেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ইউরোপা লিগে খেলার দারুণ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
হুসেম আউয়ার (আলজেরিয়া): বয়স: ২৭।পজিশন: মিডফিল্ডার।ক্লাব:
আল-ইত্তিহাদ। আলজেরিয়া এবার গত বিশ্বকাপের মরক্কোর মতো চমক দেখাতে পারে। এই দলের প্রধান
প্রাণশক্তি আউয়ার। সৌাদি প্রো লিগে আল-ইত্তিহাদের হয়ে এবার ১৫ গোল করে তিনি তার পুরনো
চেনা ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন, যা তাকে একসময় ইউরোপের অন্যতম কাঙ্ক্ষিত খেলোয়াড় বানিয়েছিল।
আলেসান্দ্রো চিরকাতি (অস্ট্রেলিয়া): বয়স: ২২।পজিশন:
সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। ক্লাব: পার্মা। সিরি এ-তে পার্মার রক্ষণভাগের নিয়মিত মুখ চিরকাতি।
ইতালিতে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড় শৈশবেই অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। গত সেপ্টেম্বরে নিউজিল্যান্ডের
বিপক্ষে ম্যাচে ১৯৮১ সালের পর সকারুজদের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক হওয়ার গৌরব অর্জন করেন
তিনি।
আলি জসিম (ইরাক): বয়স: ২২।পজিশন: লেফট-উইঙ্গার। ক্লাব: কোমো (বর্তমানে
লোনে আল-নাজমাতে খেলছেন)। ২০২৪ সালের অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপের টপ-স্কোরার ছিলেন জসিম।
ইরাকের হয়ে গত ১২ মাসে তিনি নিয়মিত পারফর্ম করছেন এবং নরওয়ে, ফ্রান্স ও সেনেগালের মতো
কঠিন গ্রুপে ইরাকের অন্যতম বড় ভরসা তিনি।
মোহামেদ আমৌরা (আলজেরিয়া): বয়স: ২৬।পজিশন:
স্ট্রাইকার ও উইঙ্গার।ক্লাব: উলফসবার্গ। আমৌরা বিশ্বকাপের আফ্রিকান বাছাইপর্বে ১০ গোল
করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। উলফসবার্গের হয়ে বুন্দেসলিগায় মৌসুমটি ভালো না কাটলেও
জাতীয় দলের হয়ে তিনি দুর্দান্ত ফর্মে আছেন এবং ফেনেক্সদের আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন।
লুইস সুয়ারেজ (কলম্বিয়া): বয়স: ২৮। পজিশন:
স্ট্রাইকার। ক্লাব: স্পোর্টিং লিসবন। উরুগুয়েন সুয়ারেজের মতো অতটা বিতর্কিত না হলেও
কলম্বিয়ান এই স্ট্রাইকার পর্তুগালের মাটিতে এবার স্পোর্টিংয়ের হয়ে প্রথম মৌসুমেই অবিশ্বাস্য
৩৮টি গোল করেছেন। এবার বিশ্বমঞ্চ কাঁপাতে তিনি তৈরি।
ব্রায়ান গুটিয়েরেজ (মেক্সিকো): বয়স: ২২।পজিশন:
মিডফিল্ডার। ক্লাব: চিভাস ডি গুয়াদালাজারা। যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই অ্যাটাকিং
মিডফিল্ডার ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি ম্যাচ খেললেও গত নভেম্বরে মেক্সিকোর
হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। শিকাগো ফায়ার থেকে চিভাসে যোগ দিয়ে দারুণ খেলছেন। ২০২৬ সালে
মেক্সিকোর ৪-১-৪-১ ফর্মেশনে তিনি মাঝমাঠের মূল চালিকাশক্তি।
বাজুমানা তুরে (আইভরি কোস্ট): বয়স: ২০। পজিশন:
লেফট-উইঙ্গার।ক্লাব: হফেনহেইম। তার অবিশ্বাস্য গতির কারণে তাকে ‘দ্য হ্যারিকেন’ ডাকা
হয়। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও নিউক্যাসল ইউনাইটেড তাকে দলে নিতে আগ্রহী।
ইব্রাহিম মাজা (আলজেরিয়া): বয়স: ২০।পজিশন:
মিডফিল্ডার।ক্লাব: বায়ার লেভারকুসেন। জার্মানি অনূর্ধ্ব-২০ দল পর্যন্ত খেলে ২০২৪ সালে
আলজেরিয়াকে বেছে নেন। তার স্কিল ও ড্রিবলিংয়ের কারণে তাকে কিংবদন্তি ম্যারাডোনার নামানুসারে
‘মাজাদোনা’ ডাকা হয়। লেভারকুসেনের হয়ে এ মৌসুমে ৪০টির বেশি ম্যাচ খেলা মাজাকে আলজেরিয়াতে
রিয়াদ মাহরেজের উত্তরসূরি ভাবা হচ্ছে। মাঝমাঠ ও ডিফেন্সের মধ্যবর্তী লিঙ্ক-ম্যান হিসেবে
তিনি অসাধারণ একজন টেকনিশিয়ান।
লুকা ভুশকোভিচ (ক্রোয়েশিয়া): বয়স: ১৯। পজিশন:
সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। ক্লাব: টটেনহ্যাম (বর্তমানে লোনে হ্যামবার্গে খেলছেন)। বিশ্বকাপের
পর তিনি সরাসরি স্পার্সের মূল দলে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আরকে/প্রবা