প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৯ পিএম
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৯ পিএম
এক বছরের নিষেধাজ্ঞা যেন হঠাৎ করেই থামিয়ে দিয়েছে শুটার কামরুন নাহার কলির এগিয়ে চলা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা এই অভিজ্ঞ শুটার এখন লড়ছেন মাঠে নয়, প্রশাসনিক জটিলতার বিরুদ্ধে। নিজের ক্যারিয়ার ও সম্মান রক্ষায় তিনি দ্বারস্থ হয়েছেন রাষ্ট্রের ক্রীড়া অভিভাবকদের।
ঘটনার সূত্রপাত,
বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের কিছু অনিয়ম,
দুর্নীতি এবং কর্মকর্তা জিএম হায়দার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।
কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর পরিস্থিতি তার বিপরীতেই মোড় নেয়। সত্য প্রকাশ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জেরেই ফেডারেশন তার বিরুদ্ধে প্রথমে সাময়িক এবং পরে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়। তিনি এটিকে সরাসরি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
এদিকে বিসিবি তাদের খেলোয়াড়ের অভিযোগের তদন্ত তারা নিজেরাই করেছে এবং জাহানারা আলমের চারটি অভিযোগের মধ্যে দুইটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার ভিত্তিতে অভিযুক্ত মঞ্জুরুল ইসলাম-এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে,যদিও ঘটনাটি ছিল ২০১৯ সালের।
এ নিয়ে কলি তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘যেখানে একজন জাহানারা আলমের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ করা হলো সেখানে শুটিংয়ের ৫ থেকে ৬ জন নারী শুটারের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি কি আদৌ শাস্তির আত্তায় আসবে?
তাকে কি নিষিদ্ধ করা হবে?
নাকি আমরাই বহিষ্কৃত থেকে যাব?
আরকে/প্রবা