প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৭ পিএম
সাফ অনূর্ধ-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের কারণে ঘরোয়া নারী ফুটবল লিগে ছেদ পড়েছে প্রায় দুই সপ্তাহের। এতে কঠিন সমস্যায় নিপতিত হয়েছে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলো। এই বিরতির ফলে ক্লাবগুলো তাদের ক্যাম্প বন্ধ রাখলেও বিপাকে পড়েছে বিদেশিদের নিয়ে। বিশেষ করে বর্তমানে ঢাকার লিগে খেলা চার নেপালি ফুটবলারের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবে খেলছেন পূজা রানা ও সমীক্ষা ঘিমিরে এবং রাজশাহী স্টারস এফসির জার্সিতে খেলছেন বিমলা বিকে ও দীপা শাহী। লিগের বাকি ম্যাচগুলোর পুননির্ধারিত সূচি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় ক্লাবগুলো দ্বিধায় ছিল। বিদেশিদের বিদায় করে দিবে, নাকি বাড়তি খরচ করে রেখে দেবে?
রাজশাহী
স্টারস এফসির প্রধান কোচ মাহমুদা শরীফা অদিতি জানিয়েছেন, আর্থিক চাপ থাকা সত্ত্বেও
তারা তাদের নেপালি দুই খেলোয়াড়কে রেখে দেওয়ার পক্ষে। তার কথা, ‘তারা আপাতত আমাদের সঙ্গেই
থাকছে। আমরা তাদের রেখে দেওয়ার কথা ভাবছি, এখনই যেতে দিচ্ছি না। এটা ব্যয়বহুল হবে ঠিকই,
কিন্তু দলের প্রয়োজনে আমরা প্রয়োজনীয়তাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তারা একবার চলে গেলে
আবার ফিরিয়ে আনা আমাদের জন্য খুব কঠিন হবে।’
একই
পথে হাঁটছে ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবও। ক্লাবের সমন্বয়ক মানস বোস বাবুরাম নিশ্চিত করেছেন
যে, খরচ দ্বিগুণ হয়ে গেলেও তারা এই বিরতিতে নেপালি খেলোয়াড়দের রেখে দেওয়ার পরিকল্পনা
করছেন, ‘আমরা তাদের রাখছি, তবে এর জন্য প্রায় ১৫ দিনের অতিরিক্ত খরচ দিতে হবে। যা প্রায়
দ্বিগুণ। আমরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের ম্যানেজার কামরুল ইসলাম ইতোমধ্যে
প্রাথমিক আলোচনা সেরেছেন এবং বাজেট বাড়াতে একমত হয়েছেন।’
তবে
আর্থিক খরচের পাশাপাশি ফরাশগঞ্জের জন্য বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবাসন ব্যবস্থা।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন থাকায় ক্লাবের বিশাল মাঠটি ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত
হবে। বাবুরাম ব্যাখ্যা করেন, ‘নির্বাচনী বুথ তৈরি হয়ে গেলে আমাদের খেলোয়াড়দের সরিয়ে
নিতে হবে। ৩৫ জনের বড় স্কোয়াড এবং দুজন বিদেশি খেলোয়াড় যাদের জন্য আলাদা রুম প্রয়োজন,
তাদের জন্য আবাসন এখন বড় দুশ্চিন্তার কারণ। আমাদের হয়তো বিকল্প কোনো জায়গা ভাড়া নিতে
হবে।’
আরকে/প্রবা