৫ ম্যাচে ৩৩ গোল, ৪ হ্যাটট্রিক
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:৫৯ পিএম
আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:০২ পিএম
আশা
করা হয়েছিল, বিগত লিগগুলোর মতো এবারের নারী ফুটবল লিগের ম্যাচগুলো আর একপেশে-প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন
হবে না। অন্তত: কিছুটা হলেও লড়াই হবে। কিন্তু, কোথায় কি, ‘যেই লাউ, সেই কদু!’ কমলাপুরের
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এবারের লিগের মান
আরও ভয়াবহ রকম খারাপ-মানহীন। প্রতি ম্যাচেই হচ্ছে মুড়িমুড়কির মতো গোল আর হ্যাটট্রিকের
ছড়াছড়ি। এছাড়া ফ্লাডলাইটের স্বল্প আলো, দিনে পাঁচটি করে ম্যাচ, কম বিরতি নিয়ে খেলা,
লিগ শুরুর আগে ক্লাবগুলোকে অনুশীলনের জন্য পর্যাপ্ত সময় না দেওয়াÑএগুলো তো আছেই। কিন্তু
এ নিয়ে কোনো মাথাব্যথাই নেই দেশীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ফুটবল
ফেডারেশনের (বাফুফে)। সামনে মেয়েদের আন্তর্জাতিক ম্যাচের ছুতো তুলে তড়িঘড়ি করে নামকাওয়াস্তে
এই লিগের আয়োজন করেছে তারা!
যাহোক,
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) যথারীতি পাঁচটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় সব ম্যাচেই ‘নিয়মমাফিক’ গোলের
(৩৩ গোল) মহোৎসব হয়েছে। হয়েছে একাধিক হ্যাটট্রিকও। এদিন নাসরিন স্পোর্টস একাডেমি ৯-১
গোলে কাচারিপাড়া একাদশ উন্নয়ন সংস্থাকে, বাংলাদেশ আর্মি স্পোর্টস ক্লাব ৭-০ গোলে ঢাকা
রেঞ্জার্স ফুটবল ক্লাবকে, ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব একই ব্যবধানে সদ্যপুস্করিনী যুব
স্পোর্টিং ক্লাবকে, রাজশাহী স্টারস ফুটবল ক্লাব ৮-০ গোলে আনসার ও ভিডিপি ফুটবল ক্লাবকে
এবং বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল ক্লাব ১-০ গোলে বিকেএসপি ফুটবল ক্লাবকে হারায়।
নাসরিন-কাচারিপাড়া
ম্যাচে নাসরিনের পপি রানী ও আসমা খাতুন হ্যাটট্রিক করেন। পপি করেন ৫ আর আসমা করেন ৩
গোল। অপর গোলটি সোমা আক্তারের। বিজিত দলের সোহেলী শারমিন ১টি গোল করেন। ম্যাচসেরা হন
পপি।
আর্মি-রেঞ্জার্স
ম্যাচে আর্মির উন্নতি খাতুন হ্যাটট্রিকসহ করেন ৪ গোল। জয়নব বিবি রিতা করেন জোড়া গোল।
অপর গোলটি মোসাম্মৎ সুলতানার। ম্যাচসেরা হন উন্নতি।
ফরাশগঞ্জ-সদ্যপুস্করিনী
ম্যাচে ফরাশগঞ্জের শামসুন্নাহার জুনিয়র করেন হ্যাটট্রিকসহ ৪ গোল। চলতি লিগে ১৮ গোল
করে টপ স্কোরার তিনিই। ১টি করে গোল করেন শামসুন্নাহার সিনিয়র, পূজা রানী ও অনামিকা
ত্রিপুরা। শামসুন্নাহার জুনিয়র হন ম্যাচসেরা।
রাজশাহী-আনসার
ম্যাচে রাজশাহীর রেশমা আক্তার জোড়া গোল করেন। ১টি করে গোল করেন আলপি আক্তার, শাহেদা
আক্তার রিপা, সৌরভী আকন্দ প্রীতি, ঋতুপর্ণা চাকমা, মুনকি আক্তার ও পূজা দাস। ম্যাচসেরা
হন ঋতুপর্ণা।
পুলিশ-বিকেএসপি
ম্যাচে পুলিশের আইরিন খাতুন জয়সূচক গোলটি করেন পেনাল্টি থেকে।
আরকে/প্রবা