প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:৩৫ এএম
আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:২০ এএম
রবিবার (৪ জানুয়ারি) ঢাকার কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে
নারী ফুটবল লিগের ৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। দুটি ম্যাচে জয়-পরাজয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনটি
ম্যাচে মোট ২৫টি গোল হয়।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল ক্লাব ২-০ গোলে সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাবকে
হারায়। দ্বিতীয় ম্যাচে সিরাজ স্মৃতি সংসদ গোলশূন্য ড্র করে আনসার ও ভিডিপি ফুটবল ক্লাবের
সঙ্গে। তৃতীয় ম্যাচে ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব ২৩-০ গোলে হারায় কাচারিপাড়া একাদশ উন্নয়ন সংস্থাকে। নারী ফুটবল লিগের ইতিহাসে যেকোন দলের এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড গড়েছে ফরাশগঞ্জ।
।পুলিশ-সদ্যপুস্করিনী ম্যাচে ২১ মিনিটে পুলিশের সানজিদা আক্তারের দারুণ গোলের
পর দ্বিতীয়ার্ধে ৭৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান ২-০ করেন আইরিন আক্তার। ম্যাচসেরা
হন জাতীয় দলের বাইরে থাকা উইঙ্গার সানজিদা।
ফরাশগঞ্জ-কাচারিপাড়া ম্যাচে বিজয়ী দলের শামসুন্নাহার জুনিয়র
ও অধিনায়ক মারিয়া মান্দা ডাবল হ্যাটট্রিক করেন। হ্যাটট্রিক করেন তহুরা খাতুন। জোড়া
গোল করেন শামসুন্নাহার সিনিয়র ও বিপাশা আক্তার তৃষা। ১টি করে গোল করেন সমীক্ষা ঘিমিরি, প্রীতি, অনামিকা ত্রিপুরা ও মনিকা
চাকমা। 
ম্যাচের ২০ মিনিটে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে দু’দল। রেফারি
ফরাশগঞ্জের মনিকাকে ও কাচারিপাড়ার সাবিত্রী ত্রিপুরাকে লাল কার্ড ও ফরাশগঞ্জের মারিয়াকে
হলুদ কার্ড দেখান।
তবে বিস্ময়করভাবে লাল কার্ড পাননি ফরাশগঞ্জের তহুরা। কেননা তিনি শেখ সামিয়া আক্তার সামিয়াকে পেছনে থেকে
একবার ও সামিয়া মাটিতে পড়ে গেলে তাকে সামনে থেকে আরেকবার কষে লাথি মারেন! দু’দলের খেলোয়াড়রা
জড়িয়ে পড়েন হাতাহাতিতে। এ ঘটনায় ১৫ মিনিট বন্ধ থাকে খেলা।

বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগে বড় ব্যবধানে জয়ের নজির অবশ্য নতুন নয়। ২০২১ সালে বসুন্ধরা কিংস ২০–০ গোলে হারিয়েছিল নাসরিন স্পোর্টস একাডেমিকে। ২০২৪ সালে নাসরিনই ১৯–০ গোলে পরাজিত করে কাচারিপাড়া একাদশকে। তবে এবার সেই কাচারিপাড়াকেই আরও বড় ব্যবধানে হারিয়ে নতুন রেকর্ড গড়ল ফরাশগঞ্জ।
আরকে/প্রবা।