হকি বিশ্বকাপ বাছাই প্লে-অফ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:১১ পিএম
আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:২৭ পিএম
বাংলাদেশ গোল করলেও প্রতিপক্ষ অনেক ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায় আগেই। প্রবা ফটো
মাওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে হকি বিশ্বকাপ বাছাই প্লে-অফের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। রবিবার (১৬ নভেম্বর) স্বাগতিক বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তানের। তিন ম্যাচের সিরিজে আগে দুটিতে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছিলেন সফরকারী দল। ফলে শেষ ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। আর সেই ম্যাচেও ১০-৩ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। পাকিন্তান বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়নি স্বাগতিকদের। সেই সঙ্গে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে ধবলধোলাইও করেছে বাংলাদেশকে।
এর আগে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৮-২ ও দ্বিতীয় ম্যাচে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল পাকিস্তান।
ম্যাচসেরা হন পাকিস্তানের মঈন শাকিল। সর্বোচ্চ গোলদাতা হন পাকিস্তানের সুফিয়ান খান। সেরা গোলরক্ষক হন একই দেশের মুনিবুর রহমান। তবে সেরা খেলোয়াড় বাংলাদেশের রাকিবুল হাসান। সিরিজ সেরা হন পাকিস্তানের অধিনায়ক আম্মাদ ভাট।
এদিকে, রবিবারের ম্যাচটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যেখানে এক ম্যাচ আগেই পাকিস্তানের বাছাইপর্বে খেলা নিশ্চিত হয়ে গেছে, সেখানে তৃতীয় ম্যাচ খেলার যৌক্তিকতা থাকে না।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানান, ‘ঠিকই বলেছেন- আপনার সঙ্গে একমত। কিন্তু নিয়মটি তো আমাদের করা না, এটা এশিয়া হকি ফেডারেশনের নিয়ম, আমরা তাদের তৃতীয় ম্যাচ আয়োজন নিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তারা বলেছে, এক ম্যাচ আগেই বাছাইপর্ব খেলা নিশ্চিত হয়ে গেলেও তৃতীয় ম্যাচ খেলতেই হবে। কেন খেলতে হবে, সে ব্যাখ্যা তারা দেয়নি।’
এদিন আক্রমণ ও রক্ষণভাগে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ ম্যাচে আরও বেশি দুর্বলতা ফুটে উঠেছে বাংলাদেশ শিবিরে। বিশেষ করে অতীতে পুস্কর খিসা মিমো কিংবা হাসান যুবায়ের নিলয়ের যে কানেক্টগুলো দেখা গেছে, তার ছিঁটেফোটাও ছিল না শেষ ম্যাচে। ৬, ১৩, ২৪, ৪৪ ও ৫৯ মিনিটে কানেক্টগুলো মিস করেন যথাক্রমে রাকিবুল, আব্দুল্লাহ, সবুজ, জয়। ১৫ মিনিটে পোস্ট ফাঁকা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ সবুজ। এমনিতেই যোজন যোজন পিছিয়ে স্বাগতিকরা। তার উপর এমন মিসগুলো আরও ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে রেজাউল করিম বাবু বাহিনীকে।
পাকিস্তান ১৫টি পিসি থেকে ৯টি গোল আদায় করে নেয়। এরমাঝে সুফিয়ান একাই করেন ৬টি গোল, আব্দুর রহমান দুটি এবং নাদিম আহমেদ একটি গোল করেন। একমাত্র ফিল্ড গোলটি করেন রানা ওয়ালিদ। বাংলাদেশের তিন গোলের দুটি ছিল ফিল্ড গোল এবং একটি পেনাল্টি কর্নার থেকে। টুর্নামেন্ট মোট ৮টি পিসি মেরে একমাত্র গোলটি করেন এই আসরে নিস্প্রভ আশরাফুল।