প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৫ ২২:৩৪ পিএম
আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৫ ২২:৩৪ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭ আসনে প্রার্থীদের প্রাথমিক নামের তালিকা ঘোষণা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। সোমবার (৩ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম পড়ে শোনান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা-১৬ (রূপনগর-পল্লবী) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাফজয়ী সাবেক ফুটবলার ও জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক আমিনুল হক।
সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি দেশজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ক্ষুদে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সন্ধান পেয়ে তাদেরকে আর্থিক সহায়তা, পড়াশোনার খরচ ও খেলাধুলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। দলের নির্দেশে সেই কাজটি সুচারুভাবে পালন করে যাচ্ছেন আমিনুল। তার এই উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে সর্বমহলে। অনেক ক্রীড়ামোদীদের মতে, আগামীর ক্রীড়ামন্ত্রী হতে যাচ্ছেন আমিনুল।
আলফাজ আহমেদের পর বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বশেষ তারকা আমিনুল। তাকে শুধু বাংলাদেশেই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোলরক্ষক হিসেবে গণ্য করা হয়। এই যোগ্যতা তিনি তার নাম বা চেহারা দিয়ে নয়, আদায় করে নিয়েছেন স্বীয় নৈপুণ্যে প্রজ্জ্বলিত হয়ে। নিঃসন্দেহে বলা যায়, বর্তমান সময়েও তার মানের কোন গোলরক্ষক এখনও দেখা যায়নি। ব্রাজিলের নেইমারের সাবেক ক্লাব আল-হিলাল তাঁকে প্রস্তাব দিয়েছিল সেই ২০০২ সালে! কিন্তু নানা কারণে সেই ক্লাবে খেলা হয়নি তার।
আমিনুল হকের অনেক পরিচয় থাকলেও তার মূল পরিচয় ফুটবলার। এছাড়াও একসময় রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের স্পোর্টস এ্যাম্বাসেডর ও স্পোর্টস এ্যাডভাইজার-ও ছিলেন। তবে তাঁর বর্তমান পরিচয় ... পুরোদস্তুর একজন সক্রিয় ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ।
১৯৯৮-২০১০ পর্যন্ত বাংলাদেশের জার্সিতে ৫৫ ম্যাচ খেলছেন আমিনুল। ১৯৯৪-২০১৪ সাল পর্যন্ত ক্লাব পর্যায়ে খেলেছেন মোহামেডান, মুক্তিযোদ্ধা, ফরাশগঞ্জ, আবাহনী, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, শেখ জামাল ধানমন্ডি ও টিম বিজেএমসিতে। জিতেছেন ১৫টি শিরোপা, যার ৭টিই মুক্তিযোদ্ধার হয়ে। আর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে জিতেছেন চোখ ধাঁধানো দুটি শিরোপা, একটি ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, আরেকটি ২০১০ সালে এসএ গেমস ফুটবল। দুটোই অনুষ্ঠিত হয়েছিল দেশের মাটিতে, ঢাকায়।