প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৫ ২১:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত।
বাংলাদেশি বোলারদের আগুনঝরা বোলিংয়ের সামনে টিকতে পারেনি পাকিস্তানি ব্যাটাররা। নাহিদা–রাবেয়াদের ঘূর্ণি আর মারুফার সুইংয়ে দেড়শ রানের আগেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। সেই ভিতে দাঁড়িয়ে ব্যাট হাতে ঝলক দেখান ওপেনার রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক। অভিষেক ম্যাচেই দুর্দান্ত ফিফটি করে টাইগ্রেসদের এনে দেন স্বস্তির জয়। ১১৩ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।
কলম্বোতে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৩৮.৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৯ রান তোলে পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন রামিন শামিম। জবাবে ৩১.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিগার সুলতানার দল।
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ওপেনার ফারজানা হক ১৭ বলে মাত্র ২ রান করে ফিরলে ৭ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। এরপর তিনে নামা শারমিন আক্তারও হতাশ করেন, তার ব্যাট থেকে আসে ১০ রান।
৩৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়লেও ঝিলিকের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৬২ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি (২৩)। জ্যোতি বিদায় নিলে বাকি কাজ সহজেই শেষ করেন ঝিলিক ও সুবহানা মোস্তারি।
অভিষেক ওয়ানডেতেই ৭৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রানের ফিফটি হাঁকান ঝিলিক। মুস্তারির ব্যাট থেকে আসে ১৯ বলে অপরাজিত ২৪ রান।
এর আগে বল হাতে ইনিংসের প্রথম ওভারেই পাকিস্তানকে ধস নামান মারুফা আক্তার। ওমাইমা সোহেল ও ফর্মে থাকা সিধরা আমিনকে টানা দুই বলে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান তিনি। মাত্র ২ রানে পড়ে যায় পাকিস্তানের ২ উইকেট।
মুনিবা আলি (১৭) ও রামিন শামিম (২৩) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নাহিদার ঘূর্ণিতে ভেঙে যায় জুটি। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। লোয়ার অর্ডারে ফাতিমা সানা ২২ এবং ডায়ানা ১৬ রান করলেও দলকে দেড়শর কাছে নিয়ে যেতে পারেননি।
বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন স্বর্ণা, ৫ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। মারুফা ও নাহিদা নেন ২টি করে উইকেট। আর একটি করে উইকেট শিকার করেছেন নিশিতা নিশি, রাবেয়া খান ও ফাহিমা খাতুন।